শেয়ার ঊর্ধ্বমুখী বস্ত্র, প্রকৌশল ও ওষুধ খাতে

শেয়ার ঊর্ধ্বমুখী বস্ত্র, প্রকৌশল ও ওষুধ খাতে
শেয়ার ঊর্ধ্বমুখী বস্ত্র, প্রকৌশল ও ওষুধ খাতে

নিউজ ডেস্ক: শেয়ারবাজার লেনদেনে অস্থিরতা বিরাজ করছে। অস্বাভাবিক হারে দরবৃদ্ধির পর এখন কমছে বীমা খাতের শেয়ারদর। পাশাপাশি একই অবস্থা ব্যাংক খাতের শেয়ারে।

পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ব্যাংক-বীমার জায়গায় বিনিয়োগে স্থান করে নিচ্ছে জুনে হিসাব বছর শেষ হয় এমন কোম্পানির শেয়ার। শেয়ারে এগিয়ে রয়েছে প্রকৌশল, বস্ত্র এবং ওষুধ ও রসায়ন খাত।

কয়েকদিন লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা যায়, দরপতনের কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও নতুন করে বীমা খাতের শেয়ারে বিনিয়োগে আগ্রহ হারাচ্ছেন। ফলে কয়েকদিন আগেও লেনদেনে একক আগ্রাসী আধিপত্যের অবস্থান হারিয়েছে বীমা খাত।

আজ বুধবার প্রথমার্ধে লেনদেন মাত্র ১০০ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। যা এ সময় পর্যন্ত ডিএসইর মোট লেনদেনের ৯.৪৮ শতাংশ।

গতকালের মত আজও খাতওয়ারি লেনদেনে এগিয়ে আছে বস্ত্র খাত। মঙ্গলবার ডিএসইর মোট লেনদেনে এ খাতের অংশ ছিল মোটের পৌনে ২৪ শতাংশ।

গতকাল প্রকৌশল খাতের লেনদেন ছিল মোটের ৯.৮১ শতাংশ। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত লেনদেনে তা বেড়ে ১১.৫৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

মঙ্গলবার ওষুধ ও রসায়ন খাতের লেনদেন ছিল মোটের ৯.১২ শতাংশ। বুধবার প্রথম আড়াই ঘণ্টার লেনদেনে তা বেড়ে ১৩ শতাংশ ছাড়িয়েছে।

ডিএসইতে দুপুর সাড়ে ১২টায় ২০৪ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড দর বেড়ে কেনাবেচা হচ্ছিল। বিপরীতে দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল ১৩৭টি। দর অপরিবর্তিত অবস্থায় ছিল ৩১ শেয়ার।

এদিন ব্যাংক খাতের ৩১ কোম্পানির মধ্যে ২১টি দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল। দর বেড়ে কেনাবেচা হচ্ছিল ২টির। বাকি ৮টির দর ছিল অপরিবর্তিত।

এসময় বীমা খাতের লেনদেনে আসা ৪৯ শেয়ারের মধ্যে দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল ৩৯টি। আর বস্ত্র খাতের ৫৮ শেয়ারের মধ্যে ২৩টি দর বেড়ে এবং ২৮টি দর হারিয়ে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে।

প্রকৌশল খাতের ৪২ শেয়ারের মধ্যে ৩০টি দর বেড়ে কেনাবেচা হচ্ছিল। ওষুধ ও রসায়ন খাতের লেনদেনে আসা ৩১ শেয়ারের মধ্যে ১৯টি দর বেড়ে এবং ১০টি দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের ১৫ শেয়ারের দরবৃদ্ধির বিপরীতে দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল ৫টি। ডিএসইতে দুপুর সাড়ে ১২টায় ৯ থেকে ১০ শতাংশ দর বেড়ে দরবৃদ্ধির শীর্ষে অবস্থান করছিল ১১ শেয়ার। এসব হচ্ছে- মুন্নু সিরামিক, বিডি মনোস্পুল পেপার, মুন্নু ফেব্রিক্স, তমিজুদ্দিন টেক্সটাইল, ফার কেমিক্যাল, পেপার প্রসেসিং, মালেক স্পিনিং, ফু-ওয়াং ফুড, সেন্ট্রাল ফার্মা, অলিম্পিক এক্সেসরিজ এবং পিএফ প্রথম মিউচুয়াল ফান্ড।

বিপরীতে সাড়ে ৬ শতাংশ দর হারিয়ে দরপতনের শীর্ষে ছিল পাইওনিয়া ইন্স্যুরেন্স। সর্বশেষ ১৭০ টাকা ৩০ পয়সায় কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। দরপতনে পরের অবস্থানে দেখা গেছে, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, আরামিট সিমেন্ট, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, প্রাইম লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার।

ডিএসইতে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ১ হাজার ৯৮ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছিল। ডিএসইএক্স সূচক ৮ পয়েন্ট বেড়ে ৬১১৩ পয়েন্টে অবস্থান করছিল।