মিউচুয়াল ফান্ডের দর ঊর্ধ্বমুখী

মিউচুয়াল ফান্ডের দর ঊর্ধ্বমুখী
মিউচুয়াল ফান্ডের দর ঊর্ধ্বমুখী

নিউজ ডেস্ক: আজকের শেয়ারবাজার লেনদেনে মিউচুয়াল ফান্ডের দর ঊর্ধ্বমুখী। প্রায় সব খাতে সকাল ১০ টায় বেশিরভাগ শেয়ারের দরবৃদ্ধি দিয়ে লেনদেন শুরু হলেও লেনদেন সময় বাড়ার সাথে সাথে পরিস্থিতি পাল্টাচ্ছে। বেশি অস্থিরতা বীমা এবং বস্ত্র খাতে। প্রকৌশল খাতেও অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছে বেশিরভাগ ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার।

এমন অস্থিরতার মধ্যেও প্রায় সব মিউচুয়াল ফান্ডের বাজারদর ঊর্ধ্বমুখী। লেনদেনের প্রথম আড়াই ঘণ্টা শেষে দুপুর সাড়ে ১২টায় লেনদেনে আসা ৩৬ মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৩৫টিই দর বেড়ে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। এ খাতের দর বেড়েছিল ৩.৭০ শতাংশ।

এদিকে ওটিসি থেকে পুনরায় মূল শেয়ারবাজারে ফেরা চার শেয়ারের মধ্যে ৩টির মাত্র ৪টি শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। বাজারদর বাড়াতেই পেপার প্রসেসিং, মুন্নু ফেব্রিক্স এবং তমিজউদ্দিন টেক্সটাইলের একটি করে মোট ৩টি শেয়ার বিক্রি করেছেন, তাও সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ (১০% বেশি) দরে। এদিকে বিডি মনুস্পুল পেপারের ২টি শেয়ার কোনো এক বিনিয়োগকারী সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ দরে করেছেন।

ডিএসইতে দুপুর সাড়ে ১২টায় ১৮৫ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড দর বেড়ে কেনাবেচা হচ্ছিল, দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল ১৭১ শেয়ার। অপরিবর্তিত ছিল ১৬টির।

এসময়ে শেয়ার ওঠানামার এই মিশ্রধারার প্রভাব সূচকেও একই রকম ছিল। ডিএসইএক্স ৮.৩৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছিল ৬০৭৫. পয়েন্টে।

আর প্রথম আড়াই ঘণ্টায় ১ হাজার ১৮৫ কোটি ৯১ লাখ ৬৭ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে।

খাতওয়ারি লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এ সময় বীমার ৩৩ শেয়ারের দরবৃদ্ধির বিপরীতে ১৫টি দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল। মোট লেনদেনে এ খাতের অংশ গত বৃহস্পতিবারের তুলনায় সামান্যই কমেছে। সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এ খাতের ২২৯ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা মোটের ১৯.২৭ শতাংশ। আগের যা ছিল ২১.৩৭ শতাংশ।

প্রকৌশল খাতের লেনদেন হওয়া ৪২ শেয়ারের মধ্যে ১৮টিকে দর বেড়ে এবং ২৪ শেয়ারকে দর হারিয়ে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। তবে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে।

বস্ত্র খাতের ৫৬ কোম্পানির মধ্যে ৩১টির দর বেড়ে এবং ২৫টিকে দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল।

ব্যাংক খাতের ৫ শেয়ারের দরবৃদ্ধির বিপরীতে ২১টি দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল এ সময়। এছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান, তথ্য ও প্রযুক্তি, ওষুধ ও রসায়ন খাতের বেশিরভাগ শেয়ার দর হারিয়ে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে।

দুপুর সাড়ে ১২টায় মোট ২১ কোম্পানির শেয়ার ৯ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত দর বেড়ে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। শেয়ারগুলো হলো- বিআইএফসি, পেপার প্রসেসিং, মুন্নু ফেব্রিক্স, মনুস্পুল পেপার, সুহৃদ, ফ্যামিলিটেক্স, তমিজুদ্দিন টেক্সটাইল, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, ওরিয়ন ফার্মা, ইনডেক্স এগ্রো, অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স, মিথুন নিটিং, দি পেনিনসুলা, রূপালী ব্যাংক, সাফকো স্পিনিং, কপারটেক, তাল্লু স্পিনিং, অ্যাপোলো ইস্পাত, এএফসি এগ্রো এবং জাহীন স্পিনিং।

বেশ অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে আজকের শেয়ারবাজার লেনদেনে। সকাল ১০টায় প্রায় সব খাতের বেশিরভাগ শেয়ারের দরবৃদ্ধি দিয়ে লেনদেন শুরু হলেও লেনদেন সময় গড়াতেই ক্ষণে ক্ষণে পরিস্থিতি পাল্টাচ্ছে। বেশি অস্থিরতা বীমা এবং বস্ত্র খাতে। প্রকৌশল খাতেও অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। তবে দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছে বেশিরভাগ ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার।

তবে এমন অস্থিরতার মধ্যেও প্রায় সব মিউচুয়াল ফান্ডের বাজারদর ঊর্ধ্বমুখী। আজকের লেনদেনের প্রথম আড়াই ঘণ্টা শেষে দুপুর সাড়ে ১২টায় লেনদেনে আসা ৩৬ মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৩৫টিই দর বেড়ে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। এ সময় পর্যন্ত এ খাতের দর বেড়েছিল ৩.৭০ শতাংশ।

এদিকে ওটিসি থেকে পুনরায় মূল শেয়ারবাজারে ফেরা চার শেয়ারের মধ্যে ৩টির মাত্র ৪টি শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। বাজারদর বাড়াতেই পেপার প্রসেসিং, মুন্নু ফেব্রিক্স এবং তমিজউদ্দিন টেক্সটাইলের একটি করে মোট ৩টি শেয়ার বিক্রি করেছেন, তাও সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ (১০% বেশি) দরে। আর বিডি মনুস্পুল পেপারের ২টি শেয়ার কোনো এক বিনিয়োগকারী সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ দরে করেছেন।

দুপুর সাড়ে ১২টায় ডিএসইতে ১৮৫ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড দর বেড়ে কেনাবেচা হচ্ছিল, দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল ১৭১ শেয়ার। অপরিবর্তিত ছিল ১৬টির।

শেয়ারদরের ওঠানামার এই মিশ্রধারার প্রভাব এ সময়ে সূচকেও একই রকম ছিল। ডিএসইএক্স ৮.৩৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছিল ৬০৭৫. পয়েন্টে।

আজকের প্রথম আড়াই ঘণ্টায় ১ হাজার ১৮৫ কোটি ৯১ লাখ ৬৭ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে।

পর্যালোচনায় দেখা যায়, বীমার ৩৩ শেয়ারের দরবৃদ্ধির বিপরীতে ১৫টি দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল। মোট লেনদেনে এ খাতের অংশ গত বৃহস্পতিবারের তুলনায় সামান্যই কমেছে। সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এ খাতের ২২৯ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা মোটের ১৯.২৭ শতাংশ। আগের যা ছিল ২১.৩৭ শতাংশ।

প্রকৌশল খাতের লেনদেন হওয়া ৪২ শেয়ারের মধ্যে ১৮টিকে দর বেড়ে এবং ২৪ শেয়ারকে দর হারিয়ে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে।

বস্ত্র খাতের ৫৬ কোম্পানির মধ্যে ৩১টির দর বেড়ে এবং ২৫টিকে দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল।

এ সময় ব্যাংক খাতের ৫ শেয়ারের দরবৃদ্ধির বিপরীতে ২১টি দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল। এছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান, তথ্য ও প্রযুক্তি, ওষুধ ও রসায়ন খাতের বেশিরভাগ শেয়ার দর হারিয়ে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে।

দুপুর সাড়ে ১২টায় মোট ২১ কোম্পানির শেয়ার ৯ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত দর বেড়ে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। শেয়ারগুলো হলো- বিআইএফসি, পেপার প্রসেসিং, মুন্নু ফেব্রিক্স, মনুস্পুল পেপার, সুহৃদ, ফ্যামিলিটেক্স, তমিজুদ্দিন টেক্সটাইল, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, ওরিয়ন ফার্মা, ইনডেক্স এগ্রো, অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স, মিথুন নিটিং, দি পেনিনসুলা, রূপালী ব্যাংক, সাফকো স্পিনিং, কপারটেক, তাল্লু স্পিনিং, অ্যাপোলো ইস্পাত, এএফসি এগ্রো এবং জাহীন স্পিনিং।