সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে গ্রেফতার ও নির্যাতনে গণফোরামের ক্ষোভ

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে গ্রেফতার ও নির্যাতনে গণফোরামের ক্ষোভ
সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে গ্রেফতার ও নির্যাতনে গণফোরামের ক্ষোভ

নিউজ ডেস্ক : গণফোরাম এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য ও সাধারণ সম্পাদক জননেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা মোহসীন মন্টু, নির্বাহী সভাপতি সাবেক মন্ত্রী ও বাংলাদেশের অন্যতম সংবিধান প্রণেতা অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ ও গণফোরামের মুখপাত্র সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে গতকাল স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের একটি কক্ষে কয়েকঘন্টা জোরপূর্বক আটকে রাখার পর সাহবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে ১৮৬০ সালের দন্ডবিধি ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় চুরি ও ১৯২৩ সালের অফিসিয়াল সিক্রেট’স অ্যাক্ট এর ৩ ও ৫ ধারায় গুপ্তচর ভিত্তি ও রাষ্ট্রীয় গোপন নথি নিজের দখলে রাখার অভিযোগ আনা হয়। মঙ্গলবার সকালে রোজিনা ইসলামকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে হাজির করে পুলিশ তার রিমান্ড আবেদন করে। আদালত তার রিমান্ড আবেদন খারিজ করে কারাগারে প্রেরন করে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, রোজিনা ইসলাম একজন স্বনামধন্য পেশাদার সাংবাদিক সে দীর্ঘদিন যাবৎ সচিবালয়ে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং সে সচিবালয়ের সাংবাদিক ফোরামের একজন সম্মানিত সদস্য। ইতিপূর্বে কখনো তার বিরুদ্ধে এ ধরনের কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। আমরা জানি করোনাকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রনালয়ের অধীনে অনেক বড় বড় অনিয়মের অভিযোগ বেড়িয়ে আসছে সেই সমস্ত অভিযোগ গুলি ধামাচাপা দেওয়ার জন্যই রোজিনা ইসলামকে নিয়ে ‘জজ মিয়া’ নাটকের মত আরো একটি নাটক সাজানো হয়েছে।

অনতি বিলম্বে রোজিনা ইসলামের মুক্তি সহ তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগ প্রত্যাহারের দাবি জানিচ্ছি। যারা রোজিনা ইসলামেকে শারিরীক ভাবে নির্যাতন করেছে ও ‘জজ মিয়া’ নাটকের মত আরো একটি মঞ্চ নাটক করার চক্রান্ত করেছে তাদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনের আওতায় আনা হউক।

আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের সকল দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।