শেয়ারবাজার ঈদের ছুটির পর ঊর্ধ্বমুখী

শেয়ারবাজার ঈদের ছুটির পর ঊর্ধ্বমুখী
শেয়ারবাজার ঈদের ছুটির পর ঊর্ধ্বমুখী

নিউজ ডেস্ক : শেয়ারবাজারে ঈদের তিন দিনের ছুটি শেষে রবিবার লেনদেন শুরু হয়েছে। সকাল ১০টায় শুরু হওয়া লেনদেনে শেয়ারদরে ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়। প্রথম ঘণ্টায় লেনদেনে ৪০০ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে।

প্রথম ঘণ্টায় দিনের লেনদেনের দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ২২৪টি শেয়ারের দরবৃদ্ধির বিপরীতে ৬১টি শেয়ার দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল। শেয়ারের দর অপরিবর্তিত ছিল ৬১টি।

শেয়ারের অধিকাংশ দরবৃদ্ধি পাওয়ায় ডিএসইএক্স সূচক ৪৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৭৯৪ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। সূচক বৃদ্ধির হার দশমিক ৭৬ শতাংশ।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দ্বিতীয় শেয়ারবাজার সকাল ১১টায় ১২৩টি শেয়ারের দরবৃদ্ধির বিপরীতে ৩৬টি শেয়ার দর হারিয়ে কেনাবেচা হতে দেখা যায়। এ বাজারে ১৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়।

ডিএসইর খাতওয়ারি দেখা যায়, প্রথম ঘণ্টা শেষে প্রতিটি খাতেরই অধিকাংশ শেয়ার দর বেড়ে কেনাবেচা হচ্ছিল।

বীমা খাতের ২৯ শেয়ার দর বেড়ে কেনাবেচা হচ্ছিল। ১৪ শেয়ার বিপরীতে দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল। খাতটির সার্বিক দরবৃদ্ধির হার ছিল দশমিক ৬৫ শতাংশ। লেনদেনের শুরুতে যে পরিমাণ দর বেড়ে কেনাবেচা হচ্ছিল এ খাতের শেয়ার, প্রথম ঘণ্টা শেষে তা কিছুটা কমতে দেখা গেছে।

বিপরীত অবস্থা দেখা গেছে বস্ত্র খাতে। রমজানে হঠাৎ করে বস্ত্র খাতের শেয়ারদর বাড়তে শুরু করেছিল। এপর্যন্ত সে ধারা অব্যাহত আছে। বড় খাতগুলোর মধ্যে অন্য যেকোনো খাতের তুলনায় আজ এখনও পর্যন্ত এ খাতের শেয়ারদর তুলনামূলক বেশি বেড়েছে।

৪০টি বস্ত্র খাতে কেনাবেচা হচ্ছিল। বিপরীতে দর হারিয়ে কেনাবেচা হচ্ছিল ৬টি শেয়ার। এ খাতের দরবৃদ্ধির হার ছিল ২ দশমিক ৯৭ শতাংশ।

লেনদেনে টাকার অঙ্কেও বীমা খাতকে ছাড়িয়ে গেছে বস্ত্র খাত। প্রথম ঘণ্টায় ডিএসইতে ৪২২ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেনের মধ্যে ১৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ লেনদেন নিয়ে সবার ওপরে ছিল বস্ত্র খাত।

পরে ১৬ দশমিক ৭২ শতাংশ লেনদেন নিয়ে আছে বীমা খাত। প্রথম ঘণ্টার মোট লেনদেনের ১৭ শতাংশ এ খাতের। ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ লেনদেন নিয়ে ব্যাংক খাত উঠে এসেছে তৃতীয় অবস্থানে।

প্রথম ঘণ্টায় ডিএসইতে ৯ থেকে ১০ শতাংশ দর বেড়ে দরবৃদ্ধির শীর্ষে অবস্থান করছিল এডভেন্ট ফার্মা, সুহৃদ, ইনডেক্স এগ্রো, এমএল ডাইং, কেয়া কসমেটিক্স, জেনারেশন নেক্সট, এনআরবিসি ব্যাংক, বিআইএফসি ও সায়হাম টেক্সটাইল।

বিপরীতে ৪ শতাংশ দর হারিয়ে দরপতনের শীর্ষে ছিল। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক সোয়া ৩ শতাংশ এবং রহিমা ফুড ২ শতাংশ দর হারিয়ে দরপতনের শীর্ষে অবস্থান করছিল।