ঘাটে ঈদের পরের দিনও ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ

ঘাটে ঈদের পরের দিনও ফেরিতে যাত্রীর চাপ
ঘাটে ঈদের পরের দিনও ফেরিতে যাত্রীর চাপ

নিউজ ডেস্ক : মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে শনিবার সকাল ৮টায় দুই নম্বর ফেরিঘাটে ‘শাহ মখদুম’ ফেরি নোঙর করা। শত শত মানুষ এসময়ের ঘণ্টা দেড়েক আগেই পন্টুন দখলে নিয়েছে। ফেরিতে গাড়ি ওঠার জন্য গেট খুলে দিতেই হুড়োহুড়ি। সাধারণ যাত্রীদের দখলে মুহূর্তেই চলে যায় পুরো ফেরি। এই বড় ফেরিতে ঠেলেঠুলে জায়গা করে নিতে পেরেছে ১০-১২ টি ব্যক্তিগত গাড়ি।

ফেরিতে ওঠা যাত্রীরা সকালের রৌদ্রের তাপে হাঁসফাঁস করছিল। যাত্রীদের মধ্যে নারী, শিশু, বৃদ্ধ থেকে সবাই রয়েছেন। তাদের প্রায় কারো মুখেই মাস্ক নাই। কারো কারো হাত রেখেছেন কারো থুতনির নিচে। যাত্রীরা সামাজিক দূরত্ব মানার বিষয়টি চিন্তাও করতে পারছিলেন না।

এদিকে ১ নম্বর ফেরিঘাটে ‘শাহ পরাণ’ ফেরি নোঙর করে রাখা হলেও সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সেটি ছাড়বে কিনা, তা নিশ্চিত না হলেও ওই পন্টুনেও দেখা গেল পাঁচ শতাধিক মানুষের জটলা। মানুষের জটলা পন্টুন থেকে ছাড়িয়ে গেছে গাড়ি পার্কিংয়ের মাঠ পর্যন্ত। ওই দুটি ফেরিতেই নয়, প্রায় সব ঘাটেই যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড় চোখে পড়ল। শত শত গাড়ি সাধারণ যাত্রীদের কারণে ততক্ষণে ঘাটে জড়ো হয়ে গেছে। সেইসব গাড়ি মানুষের ভিড় ঠেলে আর ফেরি ধরতে পন্টুনের দিকে যেতে পারছিল না।

এসময় ঘাটে দায়িত্বরত পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ কর্মচারী ও দোকানীরা জানায়, এর আগে ঈদের পরের দিন এভাবে যাত্রীদের ভিড় দেখা যায় না। সম্প্রতি মানুষের যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তখনই ঈদের পরের দিনও দেখা যাচ্ছে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়।

দায়িত্বরত সার্জেন্ট মো. শামীম জানান, ঈদের পরের দিনও ঘরমুখো এমন ভিড় হবে, তা ধারণাও ছিল না। ফেরিতে মানুষের চাপে গাড়িই তোলা যাচ্ছে না।