ভারতে সহজলভ্য হচ্ছে আট ধরনের কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন

দেশেই তৈরি হবে স্পুটনিক-ভি ও সিনোফার্মের টিকা
দেশেই তৈরি হবে স্পুটনিক-ভি ও সিনোফার্মের টিকা

নিউজ ডেস্ক: করোনা ভাইরাসে কাবু ভারতবাসী। দেশটির অর্থনীতি এখন টালমাটাল অবস্থা। এমন পরিস্থিতি আশার বাণী শোনালেন মোদী সরকার। আগামী মাসে করোনায় প্রয়োগ করা আট প্রকার ভ্যাকসিন সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হচ্ছে। এসব ভ্যাকসিন ভারতের যে কেনো প্রান্তে পাওয়া যাবে। আগামী আগস্ট থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ২১৩ কোটি ডোজ কোভিড ভ্যাক্সিন ভারতবাসীর হাতে এসে যাবে। বৃহস্পতিবার ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এক ঘোষণায় এ কথা বলা হয়। 

এই আট প্রকার ভ্যাকসিনের মধ্যে রয়েছে সিরাম ইন্সটিটিউটের তৈরি নোভাভ্যাক্স, ভারত বায়োটেকের নাসাল ভ্যাকসিন, বায়োলজিক্যাল ই, জেডাস কাডিলা, জেনোভা, স্পুটনিক ভি, কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন।

কোভ্যাক্সিন : ভারতে বয়োটেকের তৈরি এই ভ্যাক্সিন আগামী জুলাই মাসের মধ্যে ৩ কোটি ৩২ লাখ যোগার করবে। আগস্টে ৭ কোটি ৮২ লাখ হাতে পাবে। ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোল সংস্থা থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

কোভিশিল্ড: অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনকার ফর্মুলায় তৈরি এই ভ্যাকসিন ভারতে আগামী আগস্টের মধ্যে ১০ কোটি ডোজ তৈরি হয়ে যাবে।

ইন্ট্রানাসাল: ভারত বায়োটেকের তৈরি করোনা বিরোধী এই ওষুধ ১০ কোটি ডোজ তৈরি করা হচ্ছে।

স্পুটনিক ভি: ভারতের হায়দ্রাবাদের ড.রেড্ডি গবেষণাগারে তৈরি এই রাশিয়ান ভ্যাকসিন ১৫ কোটি ৫ লাখ ডোজ এ বছর তৈরি করা হবে। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা শুরু হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

জ্যাডাস ক্যাডিলা:ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদ ভিত্তিক একটি ফার্মাসিটিকাল কোম্পানি এই কোভিড বিরোধী ভ্যাক্সিন তৈরি করেছে। বছরের শেষ দিকে ৫ কোটি ডোজ তৈরি করা হবে।

নোভাভ্যাক্স: আমেরিকার কোম্পানির এই ভ্যাক্সিনের ২০ কোটি ডোজ এই বছরের শেষে তৈরি করা হবে।

জেনোভা: পুনে ভিত্তিক এই কোম্পানির ভ্যাক্সিনকে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। বছর শেষে ৬ কোটি ডোজ তৈরি করা হবে।

বায়োলজিক্যাল ই: বায়োলজিক্যাল ই লিমিটেড কোম্পানি তেরি এই ভ্যাক্সিন ৩০ কোটি ডোজ আগামী আগস্টের মধ্যে হাতে পাবে সরকার। সূত্র: টাইমস নাও

ঢাকানিউজ২৪ডটকম