ঈদে সেই পুরনো চিত্র ঘরমুখী মানুষ

ভোগান্তিতেও গ্রামমুখী ঢল
ভোগান্তিতেও গ্রামমুখী ঢল

নিউজ ডেস্ক : শিমুলিয়া ও আরিচা ফেরি পারাপার শুরু । তারপরও কাটেনি দুর্ভোগ, লেগে আছে জট। দূরপাল্লায় গণপরিবহন নেই, তাই ট্রাকে করেই রাজধানী ছাড়ছে শ্রমজীবি মানুষ।

ঈদে গ্রামমুখী স্রোতের কাছে করোনা সংক্রমণ পাত্তাই পাচ্ছে না । যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উপযাপন করার জন্যে প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধ কাজে আসছে না। পথে পথে দুর্ভোগ সয়ে দুইতিন গুণ বেশি ভাড়ায় বাস, ট্রাক, পিকআপ এবং মোটরসাইকেলে ভেঙে ভেঙে শহর ছাড়ছে লাখোলাখো মানুষ। 

করোনা মহামারিকালে এভাবে গাদাগাদি করে ঈদ যাপন করতে গ্রামে যাওয়াকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ‘আত্মঘাতী’ বললেও জনস্রোত ঠেকাতে না পেরে হাল ছেড়ে দিয়েছে যেন সবাই।

ঘাটে দিনের বেলায়ও ফেরি চলাচল স্বাভাবিক করেছে অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ। পথে পুলিশের তল্লাশি এবং মুভমেন্ট পাসের জন্যও কোনো কড়াকড়ি ছিল না। গতকাল সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ভ্রাম্যমাণ আদালতের তৎপরতার খবর পাওয়া যায়নি ।

গাবতলী এলাকায় বাস টার্মিনাল খাঁ খাঁ করছে। শতশত দূরপাল্লার বাস পার্ক করে রাখা হয়েছে সেখানে। ভিন্ন চিত্র টার্মিনাল থেকে কয়েকশ গজ দূরে গাবতলী সেতুর পশ্চিমে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাজার হাজার মানুষ যানবাহনের অপেক্ষায় দাড়িয়ে।