কোনভাবেই ঘাটে যাত্রী পারাপার বন্ধ হচ্ছে না

কোনভাবেই ঘাটে যাত্রী পারাপার বন্ধ হচ্ছে না
কোনভাবেই ঘাটে যাত্রী পারাপার বন্ধ হচ্ছে না

নিউজ ডেস্ক : রোববার সকাল পর্যন্ত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজীরহাট নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। বিজিবি ঘাটে যাত্রীদের চাপ সামলাতে মোতায়েন করা হয়েছে। এরপরও ঘাটে যাত্রী পারাপার বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।

বনলতা নামের একটি ফেরি একটি অ্যাম্বুলেন্স আজ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে একটি কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ি ও ৩টি প্রাইভেটকারসহ ১৩টি যানবাহন নিয়ে দৌলতদিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ওই ফেরিতে বেশ কিছু যাত্রীও উঠে যান। তবে সকাল ৯টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে শাহ আলী নামের একটি ফেরি অ্যাম্বুলেন্সসহ কয়েকটি গাড়ি ও যাত্রী নিয়ে পাটুরিয়া ঘাটে আসে।

পাটুরিয়া ও আরিচা ফেরি ঘাট এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা ঢাকা থেকে বিভিন্ন কৌশলে ৩-৪ গুণ ভাড়া বেশি দিয়ে ঘাটে আসছেন। এই যাত্রীরা ঘাটে এসে ফেরি চলাচল বন্ধ পেয়ে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ৩-৪ গুণ ভাড়া বেশি দিয়ে গাদাগাদি করে নদী পাড়ি দিচ্ছেন। আবার ফেরির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন যাত্রীরা।

শান্তা আক্তার ঢাকা থেকে আসা একজন যাত্রী জানান, গাবতলী থেকে জনপ্রতি ৬-৭শ’ টাকা ভাড়া দিয়ে রিকশাভ্যানে ও সিএনজিতে পাটুরিয়া ঘাটে এসেছেন তারা।

রোববার বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম জিল্লুর রহমান জানান, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে অ্যাম্বুলেন্স ও লাশের গাড়ীসহ জরুরি কিছু যানবাহন পারাপার হচ্ছে। ওই সময় কিছু যাত্রীও ফেরিতে উঠে পড়ছেন। আর কোনোভাবেই তাদের আটকানো যাচ্ছে না।

থানার ওসি ফিরোজ কবির জানান, ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঢল ও করোনাভাইরাসের সংক্রমন রোধে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। তারা এখনও ঘাটে এসে পৌঁছাননি। ঘাট এলাকায় যাত্রীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে।