আসছে বাজেটে গণমাধ্যমের দাবি পূরণের চেষ্টা করব: অর্থমন্ত্রী

আসছে বাজেটে গণমাধ্যমের দাবি পূরণের চেষ্টা করব: অর্থমন্ত্রী
আসছে বাজেটে গণমাধ্যমের দাবি পূরণের চেষ্টা করব: অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক : অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছেন, আসছে বাজেটে গণমাধ্যমের দাবি পূরণে সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করবে। মুস্তফা কামাল বলেছেন, গ্রহণযোগ্য দাবিগুলো আগামী বাজেটে রাখার চেষ্টা করবেন।

অর্থমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনা করেন। আলোচনায় বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শীর্ষ নির্বাহীরাও অংশ নেন। অর্থমন্ত্রী বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে গণমাধ্যমের দাবি রাখার বিষয়ে নিজের আন্তরিকতার কথা জানান ।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবারের বৈঠকে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক সোহরাব হোসেন, আমাদের নতুন সময় পত্রিকার সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান ও চ্যানেল আইয়ের পরিচালক শাইখ সিরাজ সংযুক্ত ছিলেন।

এ বৈঠকে অর্থ সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, ইআরডি সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন, এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা রহমাতুল মুনিম, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির সংযুক্ত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী বৈঠক শেষে বলেন, সম্পাদকরা ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া নিয়ে কথা বলেছেন। পাশাপাশি জাতীয় জীবনে সামগ্রিক অর্থনীতি নিয়েও কথা বলেছেন। নিউজ প্রিন্টের ওপর কর প্রত্যাহার করা যায় কি-না সে বিষয়ে তারা প্রস্তাব দিয়েছেন। পাশাপাশি করপোরেট কর হার কমানোর প্রস্তাব করেছেন।

নিউজ প্রিন্ট আমদানিতে বর্তমানে ৫ শতাংশ শুল্ক রয়েছে। সংবাদপত্র শিল্পকে সামগ্রিকভাবে ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ কর দিতে হয়। শিল্প মালিকদের সংগঠন নোয়াব আমদানি শুল্ক শুন্য করা এবং করপোরেট কর কমিয়ে তৈরি পোশাক শিল্পের মতো ১২ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে।

বৈঠকের আলোচনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, নিউজ প্রিন্টের আমদানি কর মওকুফ ও করপোরেট কর কমানোর প্রস্তাব করেছেন সম্পাদকরা । খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কৃষিতে শিক্ষিত তরুণদের আগ্রহী করে তুলতে ও শহরে ছাদ বাগান জনপ্রিয় করতে প্রণোদনা চালুর প্রস্তাব করেছেন কেউ কেউ। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মানোন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। উন্নয়ন প্রকল্পে যেসব অপচয় হয় তা বন্ধ করতে আরও সচেষ্ট হতেও পরামর্শ দিয়েছেন কয়েকজন সম্পাদক।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ভবিষ্যতে খাদ্য সঙ্কটের আশঙ্কা সম্পর্কে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘যেখানে হস্তক্ষেপ করা প্রয়োজন সরকার সেখানে হাতে দেবে, সহযোগিতা করবে। কৃষি দেশের ‘লাইফ লাইন’। সকল প্রকার কৃষিপণ্য উৎপাদনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে। শিক্ষিত যারা কৃষিতে আসতে চায়, তাদের প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হবে। ম্যানুয়াল থেকে যারা আধুনিক কৃষিতে আসতে চায় তাদের সহযোগিতা করব। কৃষিকে শক্তিশালী করার জন্য যা যা প্রয়োজন সরকার সব করবে।’

সুত্র : সমকাল