মুক্তাগাছার নাটকের ঐতিহ্য

মুক্তাগাছার নাটকের ঐতিহ্য
মুক্তাগাছার নাটকের ঐতিহ্য

মুর্শেদ আলম খান: মুক্তাগাছার প্রাচীন নাটকের ঐতিহ্যের সাথে জড়িয়ে আছে মুক্তাগাছার জমিদারগণ। তারা নিজেরাই নাটকে অংশ গ্রহন করতেন এবং পৃষ্ঠপোষকতা করতেন।

প্রথম পর্যায়ে জমিদার, কর্মচারী ও স্থানীয় নাট্যকর্মীরা নাটকে অংশ গ্রহন করতেন। জমিদার রমেশ চন্দ্র সান্যালের উদ্যোগে ত্রিশ এর দশকে থিয়েটার করার জন্য অ্যামেচার ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্লাবের কর্মীরা মন্ঞ্চ তৈরি করে নাটক করতো।

কোন কোন সময় বড়হিস্যার নাট মন্দিরে নাটক করা হত। সন্যাল বাবু নিজেই নাটক পরিচালনা ও অভিনয় করতেন। তার সহযোগী ছিলেন বসন্ত সাধু ও নিরেন নিয়োগী।

এরপর অনেকদিন মুক্তাগাছা থিয়েটারের কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর নাট্যপিপাসুদের উৎসাহে আবার থিয়েটার সচল হয়ে উঠে। তারা রাজেশ্বরী বাড়ীতে অস্থায়ী মন্ঞ্চ বানিয়ে নাটক শুরু করেন।

সেই সময়ে নাটকের মেকাপের দায়িত্বে ছিলেন মাখন কর্মকার ও তারক। তৎকালে ময়মনসিংহের অমরাবর্তী থিয়েটার ক্লাব ছিল নাট্য আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠান।

মুক্তাগাছা থিয়েটারের প্রায় সকলেই অমরাবর্তী থিয়েটারের সদস্য ছিলেন। এদের মধ্যে সুরেন সেন ছিলেন অমরাবর্তীর একজন যশস্বী কর্ণধার।

তখন ময়মনসিংহ থেকে অনেকে মুক্তাগাছায় এসে নাটকে অংশ গ্রহন করতেন।এদের মধ্যে ডা:বিজন কুমার সরকার ও গিরিন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী উল্লেখযোগ্য।

এ ছাড়াও মির্জাপুর থেকে রুশদাশ সাহা, কলিকাতা থেকে শম্ভু মিত্র,ও তার স্ত্রী তৃপ্তি মিত্র মুক্তাগাছায় এসে নাটকে অংশ গ্রহন করতেন। সেই সময়ে মুক্তাগাছায় পূজা- পার্বনে নাটকের আয়োজন করা হত।

মুক্তাগাছায় স্থায়িভাবে ঘূর্ণায়মান রঙ্গমন্ঞ্চ স্থাপিত হয় বাংলা তের’ শ বায়ান্ন সালে। রাজা জগৎ কিশোর আর্চায্য চৌধুরীর কনিষ্ঠ পুত্র ভূপেন কিশোর আচার্য্য চৌধুরী ও তৎকালীন জমিদার বাড়ির ম্যানেজার যতীন বাবুর উৎসাহ ও প্রচেষ্টায় কলিকাতার বিখ্যাত আলোক শিল্পী, মন্ঞ্চশিল্পী,ওপরিচালক শ্রী সতু সেন মন্ঞ্চটি নির্মাণের দায়িত্ব নেন।

ভূপেন্দ্র আচার্য্য চৌধুরী বাবু এই মন্ঞ্চটি প্রতিষ্ঠা করেন বলে এই মন্ঞ্চের নাম রাখা হয় ভূপেন্দ্র রঙ্গপীঠ। এই মন্ঞ্চে প্রথম নাটক হয় শরৎ চন্দ্রের রমা। এ ছাড়াও ভূপেন্দ্র মন্ঞ্চে উল্লেখযোগ্য যেসব নাটক মন্ঞ্চ হয় সেগুলো হলো নুরজাহান, পান্ডব গৌরব, মৃণালীনি, কাশীদাশ,বিন্্দুর ছেলে, রাবণবধ, পার্থ সারণী, বিজয়া, কারাগার, মীর কাশিম, চাঁদ সওদাগর উল্লেখযোগ্য।

চাঁদ সাওদাগর নাটকটি ছিল জমিদারদের শেষ নাটক। এই নাটকের নায়ক ছিলেন জীবন্দ্র কিশোর আচার্য্য চৌধুরী। সে সময় মেয়েরা নাটকে অংশ গ্রহন করত না। সে কারনে পুরুষ দিয়েই মেয়েদের অভিনয়ের কাজ চালানো হত। এই ধরনের শিল্পীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কুমুদ চক্রবর্তী, শচীন্দ্র আচার্য্য চৌধুরী,মোহিনী মোহন সাহা, ফণী কর্মকার কুমুদ কান্ত চক্রবর্তী, সুকুমার সাহা।সুকুমার চক্রবর্তী ওনৃপেন্দ্র নৃত্যশিল্পে অংশ গ্রহন করতেন।

অল্প বয়সী মেয়েদের ভূমিকায় সাধারনত তারক চন্দ্র কর, সুকুমার সাহা, নৃপেন্দ্র কর্মকারের নাম উল্লেখ করা যায়। সুষ্ঠু নাটক পরিচালনার জন্য একটি পরিচালনা কমিটি ছিল। ভূপেন্দ্র কিশোর আচার্য্য চৌধুরী ( অধ্যক্ষ),যতীন্দ্রনাথ নিয়োগী( পরিচালক), ধীরেন্দ্র কান্ত লাহিড়ী( নিদের্শক), জীবেন্দ্র কিশোর আচার্য্য চৌধুরী ( সহ- নিদের্শক), গিরিজা কান্ত চক্রবর্তী( স্মারক), নীরোদ চন্দ্র মজুমদার( স্মারক সহকারী), শিব কিশোর আচার্য্য চৌধুরী( স্মারক সহকারী), শৈলেশ্বর চক্রবর্তী( সন্ঞ্চ ও আলোক সজ্জা), দীনেশ চন্দ্র ভাট, গণেশ চন্দ্র সিমলাই, দুদুমিয়া( মন্ঞ্চ ও আলোক সহকারী)।

তৎকালীন সময়ে পুরুষ অভিনেতার ভূমিকায় যারা অংশ গ্রহন করতেন তারা হলেন জীবেন্দ্র কিশোর আচার্য্য চৌধুরী, ভূপেন্দ্র কিশোর আচার্য্য চৌধুরী, ধীরেন্দ্র কান্ত লাহিড়ী, হেমন্ত কিশোর আচার্য্য চৌধুরী, শচীন্দ্র কিশোর আচার্য্য চৌধুরী, বসন্ত কিশোর আচার্য্য চৌধুরী, গিরীন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী, যামিনী কিশোর আচার্য্য চৌধুরী, ডা: বিজয় কুমার সরকার, অবনী মোহন রায়, শৈলেশ চন্দ্র রক্ষিত, পৃথিশ চন্দ্র বাগচী, মনীন্দ্র সরকার, সুশীল কুমার ভট্টাচার্য, সুধাংশু চক্রবর্তী, লক্ষণ চন্দ্র রায়, কানাই লাল সাহা, ধীরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, যোগেন্দ্র চন্দ্র সাহা, ধীরেন্দ্র চন্দ্র বিশ্বাস ও ব্রজগোপাল দত্ত।

সেসময়ে অর্কেস্টা দলে যারা ছিলেন, তারা হলেন মোহিনী মোহন সাহা, ( অরগান), তারক চন্দ্র কর( বাঁশী), লক্ষণ পাল( বাঁশী), নৃপেন্দ্র কর্মকার( বেহালা), চন্দন চক্রবর্তী( জুরি), পূর্ণ চন্দ্র সরকার( তবলা), । সে সময়ে অধিকাংশ নাটকে সংগীত পরিচালনা করতেন জিতেন্দ্র কিশোর আচার্য্য চৌধুরী ও তার সহযোগী ছিলেন বিজয় কৃঞ্চ ভট্টাচার্য।

এছাড়াও নাটক পরিস্ফুটনে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের মধ্যে নৃসিংহ কিশোর আচার্য্য চৌধুরী, মনুজেন্দ্র নারায়ণ আচার্য চৌধুরী, সলিল কুমার আচার্য চৌধুরী ওপূর্ণ চক্রবর্তী নাম উল্লেখযোগ্য।

মুক্তাগাছার জমিদারগণ নাটকের যে বীজ বপন করে গিয়েছিল তারই শাখা প্রশাখা বিস্তার লাভ করে অত্র এলাকায় নাট্য যাত্রা অব্যাহত রেখেছে। জমিদার পরবর্তী সময়ে অত্র এলাকায় নাট্য জগৎ যাদের ভূমিকায় সক্রিয় হয়ে উঠেছিল তারা হলেন শৈলেশ চন্দ্র রক্ষিত, শৈলেশ্বর চক্রবত্রী, দীনবন্ধু রক্ষিত, ওস্তাদ পূর্ণ চন্দ্র সরকার, বাবু নিতাই চন্দ্র কুন্ডু, মোহিনী মোহন সাহা,।

এরপর ষাট এর দশকে এসে মুক্তাগাছায় কয়েকটি নাট্য ও সাংস্কৃতিকদল গড়ে উঠে। এগুলির মধ্যে নবারুণ সংসদ, প্রগতি সংসদ ও কায়দে আজম স্পোটিং ক্লাব নাট্য আন্দোলন ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডকে জোরদার করে। এর পরবর্তী সময়ে জাগ্রতীক সংসদ, নটরাজ, নব প্রভাত, মুকুল ফৌজ, আলাউদ্দিন নাট্য গোষ্ঠীর সৃষ্টি হয়।

এই প্রতিষ্ঠানগুলো মুক্তাগাছার নাট্য যাত্রাকে সমুন্নত রাখতে ভূমিকা পালন করে। এ সময়ে মুক্তাগাছার গ্রামগুলোতে বেশ কিছু নাট্যদল গড়ে উঠে। এর মধ্যে বনবাংলায় নব মিতালী ক্লাব এর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। এছাড়াও অন্যান্য যেসব গ্রামে নাটক হতো তার মধ্যে বাঁশাটী, রামভদ্রপুর, গড়বাজাইল, খেরুয়াজানি, মনতলা, খুকশিয়া, খামারের বাজার, কালিবাড়ি, গাবতলি,ও চেচুয়ার নাম উল্লেখ করা যায়।

স্বাধীনতা পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে মুক্তাগাছায় যাদের দক্ষ পরিচালনায় নাট্য জগৎ প্রসার লাভ করে তারা হলেন শৈলেশ চন্দ্র রক্ষিত, নিতাই কুন্ডু, ডা: মনিন্দ্র চন্দ্র সাহা, মো: আবুল মিয়া, গৌর গোপাল সাহা, প্রফুল্ল কুমার দেবনাথ, ও আলাউদ্দিন আল আজাদ।

মুক্তাগাছায় প্রথম প্রতিযোগিতামূলক নাট্য উৎসব হয় উনিশ শতকের বিরাশির মার্চ মাসে। এই উৎসবের আয়োজন করেছিল মুক্তাগাছার শিল্পকলা পরিষদ বর্তমানে শিল্পকলা একাডেমী। এই উৎসবে পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শামসুল হুদা চৌধুরী।

এই নাট্য প্রতিযোগিতায় যেসব দল অংশ গ্রহন করেছিল তারা হলো নবরুপী সংঘ, প্রতিভা নাট্য সংস্থা, কচিকাচার মেলা, মিতালী নাট্য গোষ্ঠী, নব- মিতালী নাট্য সংস্থা, বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়ন, মুকুল ফৌজ, আহমদপুর মিতালী নাট্য গোষ্ঠী, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, নটরাজ নাট্য গোষ্ঠী, নবারুণ সংসদ, আলাউদ্দিন নাট্য গোষ্ঠী।

এছাড়াও ছিয়াশির ডিসেম্ভরের বিশ থেকে ছাব্বিশ তারিখ পর্যন্ত মুক্তাগাছায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের শাখা সংগঠন মুক্তাগাছা থিয়েটার আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিভাগীয় নাট্য কর্ম শিবির ও ময়মনসিংহ জেলা প্রথম গ্রাম থিয়েটার নাট্য মেলা।

উক্ত কর্ম শিবিরে বিশিষ্ট নাট্যকার সেলিম আল দীন, সালাম সাকলাইন, প্রখ্যাত প্রযোজক ও পরিচালক নাছির উদ্দিন ইউসুফ, জামিল আহাম্মদসহ বিশিষ্ট ব্যাক্তিত্বদের আগমণ ঘটেছিল মুক্তাগাছায়।নাট্য মেলায় যে সব দল অংশ গ্রহন করেছিল তার নাম উল্লেখ করা হলো,  মুক্তাগাছা থিয়েটার, জাহেন আলীরে ধর। শীমলা থিয়েটার, মধুমতি পাড়ের মানুষ। ভাওয়াল থিয়েটার,  ঘোড়ার নাচ।  ঢাকা থিয়েটার,  বাসন। মোমেনশাহী থিয়েটার,  চোর। লোক থিয়েটার( জা,বি), সেনেরখীলের তালুকদার।

মুক্তাগাছার উল্লেখযোগ্য নাট্যগোষ্ঠী গুলোর নাম উল্লখ করা হলো। নবারুন সংসদ। স্থাপিত – ১৯৫৯ সন। সভাপতি তালেব আলী সম্পাদক- স্বপন কুমার দে। মন্ঞ্চায়িত প্রথম নাটক- চন্দ্রহাস। অভিনীত নাটকের সংখ্যা- ১৬ টি।

নটরাজ নাট্য সংঘ, স্থাপিত- ১৯৭৪ সন। সভাপতি- ডা: মনীন্দ্র কুমার সাহা ওসম্পাদক- মো: আব্দুস সামাদ।প্রথম নাটক- অবিচার।অভিনীত নাটকের সংখ্যা- ১০ টি।

আলাউদ্দিন নাট্য গোষ্ঠী, স্থাপিত- ১৯৭৪ সন। প্রথম সভাপতি- মো: আবুল হোসেন ও সম্পাদক- মো: আলী মধু। প্রথম নাটক আলতার টিপ।অভিনীত নাটকের সংখ্যা ৯ টি।

মুক্তাগাছা উপজেলা মুকুল ফৌজ। স্থাপিত– ১৯৬৭ সন। সচিব প্রধান- বিমল দেবনাথ।অভিনীত নাটকের সংখ্যা১৫ টি।

আবির্ভাব নাট্য সংস্থা। স্থাপিত – ১৯৮৪ সন। ডা: নৃপেন্দ্র দেবনাথ। প্রথম নাটক- নীচুতলার মানুষ। অভিনীত নাটকের সংখ্যা- ০৫ টি।

বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়ন নাট্য গোষ্ঠী। স্থাপিত -১৯৮০ সন। প্রথম সভাপতি- শ্রী গৌরাঙ্গ চন্দ্র দে।অভিনীত নাটকের সংখ্যা-০৪ টি।

নীল সবুজের মেলা নাট্যগোষ্ঠী। স্থাপিত- ১৯৮৬ সন। প্রথম সভাপতি- শ্রী ইন্দ্র দেবনাথ ওসম্পাদক মো: মাহবুব এ আযাদ।

মুক্তাগাছা নাগরিক নাট্য সম্প্রাদায়। স্থাপিত-১৯৮৬ সন। তারিক আনাম খান। স্মরনিকা সাংস্কৃতিক সংস্থা। স্থাপিত- ১৯৮৬ সন।

মুক্তাগাছা থিয়েটার। স্থাপিত- ১৯৮৩ সন। আহবায়ক- একরামুল হক সুজন। প্রথম নাটক- চোর। অভিনীত নাটকের সংখ্যা- ০৩ টি। ( মন্ঞ্চায়ন হয়েছে ০৭ বার)।

উদয়ন যুব সংঘ। স্থাপিত- ১৯৮৩ সন। প্রথম সভাপতি- আ: হাই পাঠান ও সম্পাদক- এ বি এম নুরুল হক। প্রথম নাটক- আক্কেল আলীর স্বাধীনতা। অভিনীত নাটকের সংখ্যা- ০৬ টি ০ উত্তরণ সংঘ। প্রথম সভাপতি মাহফুজ সালাম ও সম্পাদক- শামসুদ্দিন সেলিম।

কান্দিগাঁও পূর্বপাড়া নাট্যগোষ্ঠী। স্থাপিত- ১৯৬৮. সন। প্রথম সভাপতি মীর আব্দুর রাজ্জাক ও সম্পাদক মো: নাজিরুল ইসলাম। প্রথম নাটক প্রায়শ্চিত্ত। অভিনীত নাটকের সংখ্যা- ১৩ টি।

প্রতিভা নাট্য সংস্থা। স্থাপিত ১৯৮০ সন। প্রথম সভাপতি মো: ফজলুল হক ওসম্পাদক বীরেন্দ্র দাস। অভিনীত নাটকের সংখ্যা- ০২ টি।

পলাশী সাংস্কৃতিক নাট্য সংগঠন। স্থাপিত-১৩৮০ বাং প্রথম সভাপতি এ কে এম আ: হামিদ ও সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন। অভিনীত নাটকের সংখ্যা ১২ টি।

 সরকারী কর্মচারী কল্যাণ সমিতি।নাট্য গোষ্ঠী স্থাপিত – ১৯৮৩ সন। অভিনীত নাটক বাসন। পরিশেষে বলা যায় মুক্তাগাছার সংস্কৃতিতে নাটকের অবস্থান খুবই উজ্জল। এখানকার নাটক(( জমিদারদের দ্বারা শুরু হলেও তার অগ্রযাত্রা এখনও সমন্নত রয়েছে।

তবে সেই সময়ের ঐতিহ্যবাহী ঘূর্ণায়মান মন্ঞ্চটি এখন আর মুক্তাগাছায় নেই। ১৯৫৯ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক এ কে এম মুসা এবং পৌর প্রশাসক আব্দুর রহমান মুক্তাগাছা থেকে তুলে নিয়ে ময়মনসিংহ টাউন হলে স্থাপন করে। বর্তমানে অধিকাংশ নাটকই অস্থায়ী মন্ঞ্চে,অভিনিত হয়েছে।