ছায়ানটের বর্ষবরণে ছড়াল মঙ্গলবার্তা

ছায়ানটের বর্ষবরণে ছড়াল মঙ্গলবার্তা
ছায়ানটের বর্ষবরণে ছড়াল মঙ্গলবার্তা

নিউজ ডেস্ক : করোনা মহামারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে অফুরন্ত প্রাণশক্তি নিয়ে জাতি জেগে উঠেছে নতুন দিনের ভোরে, নতুন করে বেঁচে ওঠার কামনা নিয়ে। বাংলা নতুন বছরকে ঘরে বসেই সবাই স্বাগত জানাচ্ছে । নতুন বঙ্গাব্দ ১৪২৮ শুরু হলো।

বুধবার সকাল ৭টায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হয় সঙ্গীতায়ন ছায়ানটের বর্ষবরণের আয়োজন। ছায়ানটের অনুষ্ঠানটি সাজানো হয় রমনার বটমূলের পুরানো আয়োজন ও নতুন রেকর্ড করা পরিবেশনার সমন্বয়ে।

পহেলা বৈশাখের প্রথম প্রভাতে ছায়ানটের শিল্পীরা গয়ে ওঠেন, ‘আমি ভয় করব না, ভয় করব না। দু’ বেলা মরার আগে মরব না ভাই, মরব না।’ ছায়ানটের সভাপতি সনজীদা খাতুন বলেন, ‘আমরা আশা করছি, অন্ধকারের উৎস থেকে আলো উৎসারিত হবেই। নতুন বছর বয়ে আনবে সর্বজনের জন্য মঙ্গলবার্তা। আলো আসবেই।’ ডিজিটাল আয়োজনে ছিল ছায়ানটের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দেশাত্নবোধক গানের পরিবেশনা।

ঘরে বসেই মানুষ বিগত বছরের গ্লানি, জরা, আবর্জনা ভাসিয়ে দিয়ে প্রাণের তানপুরায় শুনছে বর্ষবরণের আবহমান সুরধ্বনি। বাতাসে ভেসে আসা কল্লোলে কণ্ঠ মিলিয়ে আজ বাঙালি গেয়ে উঠছে, ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো।’

সাংস্কৃতিক সংগঠন ও গ্রুপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বাংলা নতুন বছরকে বরণের নানা আয়োজন করেছে। বিভাগীয়, জেলা শহর, উপজেলা এবং গ্রামে গ্রামেও এ বছর বাংলা নববর্ষের আয়োজন হচ্ছে ঘরে। উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিচ্ছে ঘরেই ডিজিটাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।