শত শত যানবাহন ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় 

শত শত যানবাহন ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় 
শত শত যানবাহন ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় 

নিউজ ডেস্ক : বুধবার থেকে সারাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে কঠোর লকডাউনের ঘোষণায় রাজধানী ছাড়ছে মানুষ। চলমান লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে সাধারণ যাত্রী ও ছোট গাড়ির চাপ বাড়ছে। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি না মানায় এতে বাড়ছে সংক্রমণের ঝুঁকি।

গত সোমবার মধ্য রাত থেকেই শত শত প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল ও পিকআপ ভ্যানে করে মানুষজন পারের জন্য পাটুরিয়া ঘাটে আসতে শুরু করে। ফেরিঘাট এলাকায় লকডাউনের খবরে ব্যক্তিগত যানবাহনের বাড়তি চাপে ভোগান্তি বেড়েছে সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাকচালকদের। ঘাট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘাট পার হতে আসা এসব যানবাহন পারাপারে ১৬টি ফেরি নৌপথে চলাচল করছে ।

বিআইডব্লিউটিসি আরিচা ডিজিএম মো. জিল্লুর রহমান মঙ্গলবার সকালে জানান, সারাদেশে কঠোর লকডাউন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২১ জেলার যাত্রী এ নৌপথে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন। একারণে ঘাট এলাকায় ছোট গাড়ির বাড়তি চাপ পড়ায় পণ্যবাহী ট্রাক ঘাট এলাকায় আটকে পড়েছে। এপরিস্থিতিতে ট্রাকচালকদের ভোগান্তি বাড়ছে।

গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও ঘাট এলাকায় যাত্রী ও ছোট যানবাহনে চালকদের উপস্থিতি অনেক বেশি। করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। ঘাট পার হতে আসা এসব যাত্রী ও যানবাহনগুলো পারাপারে নৌপথে ১৭টি ফেরির মধ্যে ১৬টি ফেরি চলাচল করছে।পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় সর্বশেষ ছোট গাড়ি ও পণ্যবাহী ট্রাক মিলে পাঁচ শতাধিক যানবাহন নৌপথ পারাপারে অপেক্ষমান রয়েছে ।

মহীউদ্দীন রাসেল বিআইডব্লিটিসি আরিচা কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক জানান, বাস বন্ধ থাকায় ঘাট এলাকায় কোনো বাস নেই। ট্রাক টার্মিনালে আড়াইশ’ সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাক পারের অপেক্ষায় আছে। এদিকে কয়েকশ’ ছোট গাড়ি এ নৌরুট পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।