জনগোষ্ঠীর উন্নয়নকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে পল্লী সমাজসেবার পরিসর বাড়ানো হবে : সমাজকল্যাণমন্ত্রী
জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে পল্লী সমাজসেবার পরিসর বাড়ানো হবে : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ বলেছেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রমের উদ্ভাবন করেছিলেন। সূচনাকাল থেকে এ কার্যক্রম দেশের দারিদ্র বিমোচনে ভূমিকা রাখছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রমের পরিসর বাড়ানো হবে।

মন্ত্রী সোমবার সমাজসেবা অধিদপ্তর আয়োজিত ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম হতে পারে উন্নয়নের রোল মডেল’ শীর্ষক সেমিনারে অনলাইনে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

মন্ত্রী স্বাধীনতা বিরোধীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নিয়ে মিথ্যাচার এদেশের জনগণ সায় দেয়নি। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে তার চেতনাকে ভুলুন্ঠিত করতে চেয়েছেন, আপনারা পারেননি। বঙ্গবন্ধু ছাড়া দেশ স্বাধীন হতো না, বাঙালি জাতিসত্তার উন্মোচন হতোনা, এই সত্য কথা আপনারা বলেন না, অপনারা মিথ্যাচারের মাধ্যমে পবিত্র কোরআনের অপব্যাখ্যা করে মানুষকে বিপথগামী করতে চাচ্ছেন। পৃথিবী যতদিন থাকবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ততদিন থাকবে। এদেশের ১৭ কোটি মানুষ বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সমুন্নত রাখবে।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করার পর প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রমের উদ্ভাবন করে তিনি যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রমকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করা হবে। এ কার্যক্রমকে বেগবান করার জন্য ৫০০ কোটি টাকার তহবিল প্রদানের কাজ চলমান রয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ, মানবসম্পদ। বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়ে পল্লী জনগোষ্ঠীর মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগাতে হবে। জনগণ যদি সামান্য পুঁজি পায় এবং সঠিক উপায়ে তা ব্যবহার করতে পারলে তারা স্বাবলম্বী হতে পারে। বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম এর মাধ্যমে অতি দরিদ্র শ্রেণীর মানুষকে দারিদ্রতার হাত থেকে রক্ষা করা যায়।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শেখ রফিকুল ইসলাম।