আমাদের লড়াই আলেম সমাজ বা মাদ্রাসা ছাত্রদের বিরুদ্ধে নয়

আমাদের লড়াই আলেম সমাজ বা মাদ্রাসা ছাত্রদের বিরুদ্ধে নয়
আমাদের লড়াই আলেম সমাজ বা মাদ্রাসা ছাত্রদের বিরুদ্ধে নয়

নিউজ ডেস্ক : এস এম কামাল হোসেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বলেছেন, সম্প্রতি হেফাজতের নেতৃত্ব ইসলামের হেফাজতকারী নয়। এরা এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী বিএনপি-জামায়াতের ।

আলেম সমাজ বা সাধারণ মাদ্রাসা ছাত্রদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই নয়। আমাদের লড়াই তাদের বিরুদ্ধে যারা সম্মানিত আলেম সমাজ ও নিরীহ মাদ্রাসা ছাত্রদের লেলিয়ে দিয়ে সন্ত্রাস ও তাণ্ডব চালিয়েছে । আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে এদের বিরুদ্ধে।

ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে শনিবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগের কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে মতবিনিময়ে এস এম কালাম হোসেন এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, যে আলেম সমাজ ও কমলমতি মাদ্রাসা ছাত্রদের সামনে রেখে বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন, মামুনুল হকের মতো সেই দুশ্চরিত্রদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণকে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। স্বাধীণতার সূর্বণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য তারা প্রকৃত পক্ষে মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কথা বলছেন। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে শুধু বঙ্গবন্ধুর বিরোধীরাই করছেন না, স্বাধীনতার বিরোধীতা করছেন। কারণ বঙ্গবন্ধু এবং স্বাধীনতা এক ও অভিন্ন শব্দ।

সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, যারা আজকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে নাশকতা করেছেন, অরাজকতা করছেন, তাদের কাছে প্রশ্ন, এই মোদি যখন ২০১৪ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হলেন তখন মামুনুল হকরা যে চার দলীয় জোটের সঙ্গে শরিক ছিলেন, সেই শরিক দল বিএনপি উৎসব করেছেন।

খালেদা জিয়া বিএনপির চেয়ারপারসন অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। তৎকালীন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মোদিকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যখন মোদি বাংলাদেশ সফরে আসেন ২০১৫ সালে, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া তখন লাইনে দাড়িয়ে দেখা করেছেন।

বিএনপি নেতা মঈন খান বলেছেন, ২০১৫ সালের ৭ জুন ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছেন। বিগ্রেডিয়ার হান্নান শাহ বিএনপির আরেক নেতা বলেছিলেন, ১৫ মিনিট রুদ্ধধার বৈঠক হয়েছে আমাদের নেত্রীর সঙ্গে, কি কথা হয়েছে, তা বলবো না, ভারতের জনগণের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের নেতাদের আওয়ামী লীগ সরকার দেখা করতে দিতে চায়নি।

তাদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীকে রুখে দাঁড়াতে হবে। যারা ভারত বিরোধীতার নামে বাবু নগরী, মামুনুল হকরা ষড়যন্ত্র করেছে।