প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিউজ ডেস্ক:   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যকার সমস্যা আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্ধৃতি দিয়ে প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সমস্যা থাকতেই পারে। আমরা মনে করি, এ সমস্যা আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।’

সফররত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. সুব্রামনিয়াম জয়শঙ্কর বিকেলে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ কালে তিনি এ কথা বলেন।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ায় তাঁর প্রশংসা করেন। জয়শঙ্কর বলেন, ‘এটি একটি বিশাল অর্জন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অভূতপূর্ব।’

জয়শঙ্কর প্রধানমন্ত্রীকে জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে যোগদানের লক্ষে ঢাকা সফর নিয়ে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে তার ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে ভারতীয় মন্ত্রী বলেন, ‘এ মহামারীর কারণে এতদাঞ্চলের আমরা সবাই সঙ্কটের মুুখোমুখি।’ তিনি করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা করার ভারতের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন সহায়তার জন্য ভারতের প্রশংসা করেন। গত মাস থেকে বাংলাদেশে টিকা প্রদান শুরু করার কথা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি এবং তাঁর দলের নেতা-কর্মীসহ সরকারি সংস্থাগুলোর মহামারী মোকাবেলায় সফলভাবে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপের কারণে কোভিড-১৯ মহামারী, বন্যা এবং ঘূর্ণিঝড় সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানী গোয়েন্দা বিভাগের সিক্রেট ডকুমেন্টের ৭টি ভলিউম ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে উপহার দেন। ভারতের মন্ত্রী তার বাবা ভারতের সিভিল সার্ভেন্ট কে সুব্রামনিয়াম লিখিত ‘লিবারেশন ওয়ার অব বাংলাদেশ’সহ দু’টি গ্রন্থ প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন।

সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কে দোরাইস্বামী উপস্থিত ছিলেন।