ইস্তাম্বুলে কনস্যুলেট জেনারেল-এ শহিদ দিবস পালন

ইস্তাম্বুলে কনস্যুলেট জেনারেল-এ শহিদ দিবস পালন
ইস্তাম্বুলে কনস্যুলেট জেনারেল-এ শহিদ দিবস পালন

নিউজ ডেস্ক:  দুইদিন ব্যাপী কর্মসূচির মাধ্যমে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২১ যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালন করেছে। কর্মসূচির ২য় দিন গতকাল বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল এবং শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মালতেপে বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে ‘সমৃদ্ধিতে ভাষার বহুমাত্রিকতা’ শীর্ষক ওয়েবিনার আয়োজন করে।

কনসাল জেনারেল ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে ইস্তাম্বুলের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। ওয়েবিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের সংসদ সদস্য, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও ইউনেস্কো তুরস্কের প্রতিনিধিদলের সাবেক প্রধান অধ্যাপক ড. নাবি আভজি ।

বক্তব্যের শুরুতে কনসাল জেনারেল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন ভাষা সৈনিকসহ সকল শহিদের প্রতি যারা বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন।

তিনি বলেন, এ বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালিত হচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এক নতুন অর্থ ও তাৎপর্য বহন করছে। তিনি টেকসই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে ভাষা ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য ও বহুমাত্রিকতার ওপর গুরূত্বারোপ করেন।

বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ড. নাবি আভজি বলেন, ভাষার ক্ষেত্রে কোন ক্রম-বিভাগ নেই। অধিকার ও মর্যাদার প্রশ্নে সকল ভাষা ও সংস্কৃতি সমান। ‘ভাষা ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্যতার মাঝেই ঐক্য’-কে তিনি মাতৃভাষার সংরক্ষণ ও বিকাশের অন্যতম প্রধান মূলনীতি বলে মন্তব্য করেন।

একটি ভাষা হারিয়ে যাওয়ার অর্থ হল একটি সম্ভবনার দ্বার বন্ধ হয়ে যাওয়া। আমাদের দায়িত্ব সকল মাতৃভাষার সংরক্ষণে উদ্যোগী ও সচেষ্ট হওয়া। অন্যথায়, আমরা প্রতিনিয়ত সাংস্কৃতিকভাবে দরিদ্র হয়ে পড়বো।

তিনি প্রযুক্তির অভূতপূর্ব অগ্রগতির যুগে যখন মুহূর্তের মধ্যে এক ভাষা থেকে অন্যভাষায় অনুবাদ করা সম্ভব, তখন বহুভাষার চর্চা যে সমস্ত চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে এবং এর থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে আলোকপাত করেন।

ঢাকানিউজ২৪.কম