সেরাম থেকে ভ্যাকসিন জানুয়ারির শেষ দিকে

নিউজ ডেস্ক: সেরাম থেকে ভ্যাকসিনের প্রথম চালান এ মাসের ২৫ জানুয়ারি অথবা ২৬ জানুয়ারি এসে যাবে। সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এ কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানির মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিকল্প ভ্যাকসিন আনার কথাও জানান।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, আমরা ভ্যাকসিনের জন্য শুধু সেরামের সঙ্গেই কথা বলেছি তা নয়। আমরা ফাইজারের ভ্যাকসিন আনার চেষ্টা করছি। রাশিয়ার ভ্যাকসিন স্পুটনিক-ভি, চিনের সিনোভ্যাক। সবার সঙ্গে কথা হচ্ছে। এমনকি র্মডানার সঙ্গে যোগাযোগ করছি। সেরামের ভ্যাকসিন আনতে আমাদের ৪ ডলার খরচ পড়ছে। তাতে বেক্মিমকো পাবে ১ ডলার। কারণ বেক্সিমকো এই ভ্যাকসিন দেশের সব জায়গায় পৌঁছে দেবার কাজটি করবে। এজন্য তারা এটা পাচ্ছে।

ফাইজারের ভ্যাকসিন আমরা আনার উদ্যোগ নিয়েছি। যদিও -৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এটি সংরক্ষণ করতে হয়। আমরা জানতে পেরেছি। আমাদের কয়েকটি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ওই ধরনের রেফ্রিজারেটর রয়েছে। আরো রেফ্রিজারেটর আনার চেষ্টা হচ্ছে। তাতে ফাইজারের ভ্যাকসিন মজুদে আমাদের কোনো সমস্যা হবে না।

ভ্যাকসিন পেতে ফ্রন্ট লাইনারদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। সেক্ষেত্রে আপনারা সাংবাদিকরা প্রথমে ভ্যাকসিন পেয়ে যাবেন। চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী,পুলিশ, আর্মি, সচিব, আমলা, মন্ত্রীরাও প্রথমে ভ্যাকসিন পাবেন। স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন তারাও ভ্যাকসিন পাবেন।

বাংলাদেশে করোনায় তেমন ক্ষতি হয়নি। আমাদের জিডিপি উর্ধ্বমুখি যা এশিয়াতে শুধু চীনের আছে। এছাড়া এখন মৃত্যুহার কমে এসেছে। তারপরও আমরা চাইবো কারো মৃত্যু যেন করোনায় না হয়।

ঢাকানিউজ২৪ডটকম