ভ্যাকসিন সরকার না কিনে বেক্সিমকো কিনল কেন: ফখরুল

সাইফুলের পায়ে গুলি ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ: ফকরুল
সাইফুলের পায়ে গুলি ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ: ফকরুল

নিউজ ডেস্ক:    করোনা ভ্যাকসিনের সরকারের কর্মপরিকল্পনা অবিলম্বে জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এটা জনগণকে বিনামূল্যে দিতে হবে। ভ্যাকসিনের জন্য বেক্সিমকোর মাধ্যমে ৬’শ কোটি টাকা ভারতের সিরাম ইন্সটিটিউটের কাছে দেয়া হচ্ছে। এটা সরকার না কিনে বেক্সিমকো কিনল কেন? এখানে বেক্সিমকোর কত কমিশন আছে? সেটা আমরা জানতে চাই।

রোববার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম এসব বলেন। এদিকে অপর এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশে আইন কানুনের বালাই নেই, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বলতে যা বোঝায় তা এখন পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। দলমত নির্বিশেষে সকলে বর্তমান ভয়াবহ দু:শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, টাকার বিনিময়ে ভারত থেকে ৬ মাসে তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন আসবে। তাতে প্রতিমাসে ৫০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন আসবে। এটা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল। ভ্যাকসিন সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য তুলে ধরতে বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান বিএনপি মহাসচিব।

তিনি বলেন, শুনতে পাচ্ছি উচ্চ পর্যায়ের মানুষদের জন্য ইতিমধ্যে তালিকা প্রস্তুত হয়ে গেছে। গুলশান ক্লাব, ঢাকা ক্লাব, উত্তরা ক্লাবের সদস্যরা, সরকারের উচ্চ পদস্ত কর্মকর্তা, মন্ত্রীদের জন্য তালিকা করা হচ্ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ কিভাবে এই ভ্যাকসিনটা পাবে, কখন পাবে-সেই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো বক্তব্য আমরা সরকারের কোন দফতরের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত পাইনি। আমাদের যেটা বেশি প্রয়োজন সাধারণ মানুষ যেন বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পায়। এটা জনগণকে বিনামূল্যে দিতে হবে।

করোনা সংক্রমণের বিষয় সম্পর্কে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছে বিএনপি। এই কমিটির সদস্য হলেন, অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনার, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক হারুন অর রশিদ ও মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুস সালাম এবং বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।