নতুন বছরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে: গয়েশ্বর

নিউজ ডেস্ক:   বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, নতুন বছরে স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ববোধ থেকে লড়াই করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। করোনার মতো সরকার ও প্রশাসনের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে রাজপথে নামতে হবে। লড়াই ও সংগ্রামের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে।

বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মানবন্ধনে তিনি এসব বলেন।

‘টাঙ্গাইলের গোপালপুর পৌর মহিলাদলের সভানেত্রী হাবিজা বেগমের ওপর আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলা ও তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা এবং দেশব্যাপী নারী-শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের প্রতিবাদ’ শিরোনামে এ মানবনবন্ধন করা হয়।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আসুন সরকারকে নামানোর জন্য একটু চেষ্টা করি। এতে সফলও হতে পারি, না হলে ব্যর্থও হতে পারি। কিন্তু চেষ্টা না করে সবসময় সৃষ্টিকর্তার ওপরে ভরসা থাকলে কাজ হবে না। কাপুরুষ এবং মুর্খরা অদৃষ্টের ওপরে নির্ভর করে। আর বীরপুরুষরা নিজেদের অদৃষ্ট নিজেরা গড়ে তোলে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি এই জাতির অদৃষ্ট কিংবা জাতির ভাগ্য। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরাও বীরপুরুষের মতো আমাদের ভাগ্য, দেশের, গণতন্ত্রের, নারী ও শিশুদের আগামী দিনের ভাগ্য আমরাই প্রতিষ্ঠিত করবো।’

মানববন্ধন বা প্রতিবাদ করে মুক্তির পথ হবে না মন্তব্য করে গয়েশ্বর বলেন, ‘আমাদের লড়াই করতে হবে। কোনো অধিকারই সংগ্রাম ছাড়া প্রতিষ্ঠা পায় নাই। বিএনপির তো সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে। বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছেন জিয়াউর রহমান, তিনি যুদ্ধ করেছেন। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পরে নেতৃত্ব দিয়েছেন খালেদা জিয়া, রাজপথে মশাল হাতে ঢাকার অলিতে-গলিতে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন তিনি। সেই কারণে খালেদা জিয়া আপোষহীন নেত্রী। এই নেত্রীর কর্মীরা যদি আপোষকামী হয়, তাহলে তো আওয়ামী লীগ অবজ্ঞা করবেই।’

সংগঠনের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীর পরিচালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক সরফত আলী সপু, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ।