সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ভ্যাকসিন বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কানাডা

দেশে করোনার টিকা দেওয়া শুরু ২৭ জানুয়ারি
দেশে করোনার টিকা দেওয়া শুরু ২৭ জানুয়ারি

নিউজ ডেস্ক:   সেনাবাহিনীর মাধ্যমে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কানাডা। করোনা মহামারি মোকাবিলায় মূল্যবান ভ্যাকসিন সরবরাহে হুমকির আশঙ্কা থাকায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার।

সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, ভ্যাকসিন সরবরাহ চেইনের অখণ্ডতা রক্ষায় এর বিকল্প নেই। আমরা সবসময় সকল সম্ভাব্য হুমকি পর্যালোচনা করছি।

এদিকে, ফেডএক্স করপোরেশনের কানাডাভিত্তিক সংস্থা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অ্যামেরিসোর্সবার্গেনের অধিভুক্ত ইনোমার স্ট্র্যাটেজিসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা কানাডাজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মডার্নার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিতরণ শুরু করেছে।

মডার্নার এই ভ্যাকসিন করোনা আক্রান্তদের জন্য ৯৪.১ শতাংশ কার্যকর করোনায় আক্রান্তের জন্য। এই ভ্যাকসিনটি -২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (-৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যেতে পারে। এটি ফাইজার ভ্যাকসিনের চেয়ে অনেক বেশি উষ্ণ, অতএব দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যাবে। ফলে বিতরণ করা যাবে সহজেই।

দেশটির স্বাস্থ্য বিষয়ক এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ভ্যাকসিন সুরক্ষা, কার্যকারিতা এবং মানের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করেছে। মডার্না ভ্যাকসিন আক্রান্তদের দিলে কোনও সমস্যা হবে না বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ভ্যাকসিন দীর্ঘদিন স্টোরেজ করার সুবিধা রয়েছে, তাই দেশের বিচ্ছিন্ন ও প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে আগে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লাখ ৪১ হাজার ৬১৬ জন, মৃত্যুবরণ করেছেন ১৪ হাজার ৮০০ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৪৮ হাজার ২২২ জন।

উল্লেখ্য, কানাডায় এ বছরের মার্চ মাসে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় ব্রিটিশ কলম্বিয়ায়। ভাইরাসটি শনাক্ত হবার পর থেকেই দেশটির সরকার নাগরিকদের জনস্বাস্থ্যের গুরুত্বের পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ব্যfপক পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে।