পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বাজেট সংশোধন করা হবে: অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক:    রাজস্ব আহরণসহ সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সরকার বাজেট সংশোধন করবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস শেষ হচ্ছে। সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পর্যালোচনা অনুযায়ী যেখানে যে ধরনের সংশোধন দরকার তা করা হবে।

বুধবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী সিঙ্গাপুর থেকে অনলাইনে যোগ দিয়ে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। তিনি চিকিৎসার জন্য বর্তমানে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন। সাংবাদিকরা তার শারীরিক অবস্থা জানতে চাইলে তিনি সিঙ্গাপুরে গিয়ে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরে গেছেন ১৭ দিনের বেশি হয়েছে। ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন, যে কারণে ডাক্তার দেখাতে পারেননি। অনেক কষ্টে কোয়ারেন্টাইনের সময় পার করেছেন। এখন ডাক্তার দেখাচ্ছেন। ডাক্তার দেখানো শেষ হলে তিনি দেশে ফেরার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

মহামারির কারণে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হবে কিনা বা সরকারের কী পরিকল্পনা রয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার বাজেট দিয়েছে। ক’দিন পরই চলতি বছর শেষ হবে অর্থাৎ অর্থবছরের প্রথম ভাগ শেষ হচ্ছে। এখন পরিস্থিতি অনুযায়ী সরকার পর্যালোচনা করছে। পর্যালোচনা অনুযায়ী যেখানে যেখানে সংশোধন দরকার সেখানে সংশোধন করা হবে।

মুস্তফা কামাল বলেন, সারাবিশ্বে কোথাও প্রবৃদ্ধি হচ্ছে না। বাংলাদেশে এখনও সব সূচকে প্রবৃদ্ধি রয়েছে। দেশের অর্থনীতি ভালো অবস্থানে রয়েছে। ফলে ঘাবড়ানো বা নার্ভাস হওয়ার কিছু নেই। দেশের অর্থনীতি ভালো অবস্থানে রয়েছে। যেটা কেউ চিন্তা করতে পারেনি তার থেকেও ভালো অবস্থানে আছে অর্থনীতি। এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে নেপালে রপ্তানির জন্য ৫০ হাজার টন ইউরিয়া সার কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) কাফকো বাংলাদেশ ৫০ হাজার টন ইউরিয়া সার কিনবে। এতে ব্যয় হবে প্রায় ১১০ কোটি টাকা। এই সার প্রতি টন ২৫৭ ডলার দরে নেপালে রপ্তানি করবে সরকার। স্থলবন্দর দিয়ে সার পাঠানো হবে।

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার কাফকো থেকে সার নিয়ে নেপালকে দিচ্ছে। এটা সরকারের প্রথম চালান। প্রতিবেশী দেশ নেপালের সঙ্গে সরকার এই বাণিজ্য করছে। এতে সরকারের ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উন্নত হবে।