জাতির জনকের ভাস্কর্য ভাঙচুরকারীদের শাস্তি চাই

বক্তব্য রাখছেন মুক্তিযোদ্ধা সুপ্রিমকমান্ড কাউন্সিলের সদস্যরা
বক্তব্য রাখছেন মুক্তিযোদ্ধা সুপ্রিম কমান্ড কাউন্সিলের বীর মুক্তিযোদ্ধারা

সুমন দত্ত : জাতির জনকের ভাস্কর্য ভাংচুরকারীদের বিচার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেশের স্বাধীনতার প্রতি সম্মান দেখায় না। জাতীয় সংগীত বাজায় না। তাদের কে চিহ্নিত করে আইন অনুসারে ব্যবস্থা নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে তোফাজ্জাল হোসেন মানিক মিয়া হলে এসব দাবি করেছে মুক্তিযোদ্ধা সুপ্রিম কমান্ড কাউন্সিল।

এদিন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: রশিদুল আলম, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহম্মদ শফিকুর রহমান সংসদ সদস্য ও সাবেক সভাপতি জাতীয় প্রেসক্লাব। বীর মুক্তিযোদ্ধা কে এম ফরহাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল হক।

বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি দেশী বিদেশী বিভিন্ন ষড়যন্ত্রকারী সাম্প্রদায়িক শক্তির ইন্ধনে উগ্র জঙ্গিরা আজ নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

এরা জাতির পিতার ভাস্কর্য ভেঙ্গে স্বাধীনতার চেতনার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। ভাস্কর্যের বিরোধিতা করে তারা চরম ঔদ্ধত্যপূর্ণ ধৃষ্টতা প্রদর্শন করছে। এসব অপশক্তি দেশে শান্তি শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে দেশকে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়। উন্নয়নে ব্যাঘাত ঘটাতে চায়।

মুক্তিযুদ্ধে যেভাবে সবাই এক হয়ে হানাদারের বিরুদ্ধে লড়াই করে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল। সেভাবে আজ মুক্তিযোদ্ধাদের এক হয়ে সব ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক এই অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে। জাতির জনকের ভাস্কর্য যারা ভেঙেছে তাদেরকে চরম শাস্তি দিতে হবে। তাদের কিছুতেই ক্ষমা করা যাবে না।

স্বাধীনতার ৪৯ বছর পার হয়ে গেলেও আমরা শুনতে পাই অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীত বাজে না। বাংলা পড়ায় না। ওইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুসারে ব্যবস্থা নিতে সরকারি প্রশাসনকে পদক্ষেপ নিতে বলেন মুক্তিযোদ্ধারা।

ঢাকানিউজ২৪ডটকম