বিজয়ের দিন আজ

নিউজ ডেস্ক: বাঙালিজাতির কাঙ্ক্ষিত বিজয় দিবস আজ। ৪৯ বছর আগে এই দিন বাংলার দামাল ছেলে ও মেয়েরা পাকিস্তানি শত্রুদের মুখ থেকে ছিনিয়ে এনেছিল এই বিজয়। এতে সহায়তা করেছিল প্রতিবেশী বন্ধু দেশ ভারত।

অন্যদিকে শত চেষ্টা করেও রাজাকার আলবদরের মিলিত শক্তি পারেনি নিজেদের পতাকার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে। ৯৩ হাজার পাকিস্তানী হানাদার নিয়ে জেনারেল এ কে নিয়াজি তৎকালীন রমনা রেসকোর্সে বিকাল ৪ টা ১৫ মিনিটে ভারত-বাংলাদেশ যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন। ফেলে দেন হাতের অস্ত্র। এভাবে বাংলাদেশের মানচিত্র সেদিন নিজের অস্তিত্বে কথা জানান দেয়।

পৃথিবীর বহু দেশের স্বাধীনতা দিবস আছে। তবে বিজয় দিবস শুধুই বাংলাদেশের। একমাত্র বাংলাদেশই ৯ মাসের সশস্ত্র যুদ্ধে একটি এলিট বাহিনীকে পরাজিত করে দেশের ভূখণ্ডকে শত্রুমুক্ত করে। তাই বিজয় দিবস বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ের দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসছে।

৩০ লক্ষ শহীদ ও লক্ষাধিক নারীর ইজ্জতের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা অর্জন করে দেশ। এ কারণে স্বাধীন বাংলাদেশে জাতির জনক বলেন, কারো দয়া ভিক্ষায় এই স্বাধীনতা পাই নাই। বহু মানুষের আত্মত্যাগে এই স্বাধীনতা। আমাদের এই স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখতে হবে।

বিজয় দিবসে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নিজ নিজ কার্যালয়ে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান পালন করবে।

করোনা মহামারীর কারণে এ বছর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সাভার জাতীয় স্মৃতি সৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনে সশরীরে যাবেন না। তাদের পক্ষে পদস্থ কর্মকর্তাগণ শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় ছুটি থাকে। সরকারি ভবনগুলোতে আলোক সজ্জা করা হয়।

ঢাকানিউজ২৪ডটকম/এসডি