শেষের রোমাঞ্চে জয়ে অভিষেক রোনালদোর

নিউজ ডেস্কঃ এখন রোনালদোর। তাই বলতে হচ্ছে রোনালদোর জুভেন্টাস ৩-২ গোলের জয় দিয়ে মৌসুম শুরু করেছে। ওই তিন গোলের একটিও রোনালদোর পা ছুঁয়ে গোলে ঢোকেনি। তবে রিয়াল ছেড়ে জুভেন্টাসে আসায় ম্যাক্সিমিলিয়ানো আলেগ্রির শিষ্যরা শেষের রোমাঞ্চ জয় করতে শিখে গেছে।

আর তাতে ইতালিয়ান লিগ ‘সিরি আ’র প্রথম ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে জুভেন্টাস। জুভরা অবশ্য জিতলেও মৌসুমের শুরুটা বাজে এক রেকর্ড দিয়ে করেছে। দুর্দান্ত রক্ষণভাগ থাকা স্বত্বেও ১৯৯৮ সালের পর সিরি আ’তে শুরুর ম্যাচে ২ গোল হজম করলো তারা।

জুভেন্টাসের রোমাঞ্চকর জয়ের দিনটা রোনালদোর অবশ্য ভালো যায়নি। ম্যাচের ৪৭ মিনিটের মাথায় তিনি গোলে প্রথম শট নেন। অথচ এই রোনালদো রাশিয়া বিশ্বকাপে যে কয়টি ম্যাচ খেলেছেন ভালোই করেছেন। রিয়ালের হয়ে সর্বশেষ ১০ ম্যাচেও গোল ছিল তার। জুভেন্টাসের খেলার ধরণ হয়তো রোনালদোকে বুঝিয়ে দিয়েছে। যতই বিশ্বসেরা হও না কেনো, মানিয়ে নিতে ক’দিন সময় তো লাগবে।

তবে জুভেন্টাস কিংবা জুভ ভক্তরা রোনালদোকে বলতে পারেন, তোমার মাঠে খেলা লাগবে না। প্রতিপক্ষের অর্ধে দাঁড়িয়ে থাকলেই চলবে। মনের জোরে জিতে মাঠ ছাড়বো আমরা। ঠিক চিয়েভোর বিপক্ষে যেমন ৯৪ মিনিটে গোল দিয়ে জয় ছিনিয়ে নিয়ে মাঠ ছাড়লাম।

ম্যাচের শুরুতেই জুভেন্টাস দারুণ কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিল। রোনালদোর সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ স্যামি খেদিরা ৩ মিনিটের মাথায় গোল দিয়ে দলকে এগিয়ে নেন। তখন বড় জয় দিয়ে রোনালদোর অভিষেক বরণ হবে এমনটাই ভেবেছিল ভক্তরা। কিন্তু ঘরের মাঠে চিয়েভো ঘুরে দাঁড়ায়। প্রথমে হারের ভয় ধরায় জুভদের। এরপর চোখ রাঙায় সমতায় শেষ করে পয়েন্ট ভাগাভাগি করার।

ম্যাচের ৩৮ মিনিটে চিয়েভো গোল করে সমতায় ফেরে। প্রথমার্ধ ওই ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয়। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে এগিয়ে যায় চিয়েভো। কিন্তু নিজেদের ভুলে লিড আর ধরে রাখতে পারেনি তারা। ৭৫ মিনিটে বানি আত্মঘাতী গোল উপহার দিয়ে জুভদের সমতায় ফেরার। এরপর ম্যাচের ৯৪ মিনিটে বার্নারদেশি গোল করে দলকে ৩-২ গোলের জয় এনে দেয়।

তার নাটকীয় ওই গোলের সুবাদে মৌসুমের শুরুতে জয় পেল জুভেন্টাস। রোনালদোকে তিনি দিলেন জয় এবং দারুণ অভিষেক উপহার। নিজে বনে গেলেন ম্যাচের নায়ক।