১৫ বছরেও জোটেনি বিধবা ভাতার কার্ড

নাটোর প্রতিনিধি: মিনি রানী বয়স ৬২ বছর। স্বামী মাধব ১৫ বছর আগে অসুস্থ্য হয়ে মারা যান। এরপর থেকে জীবন সংগ্রাম শুরু হয় মিনি রানীর। তার দুই ছেলের একজন থাকে ঢাকায় আর একজন থাকে সিংড়ায়। কিন্তু, দুই ছেলে থেকেও নাই। কেউ তাকে একমুঠো আহারের ব্যবস্থা করেনা।

তারা তাদের স্ত্রী সন্তান নিয়েই ব্যস্ত। বর্তমানে অনাহারে অর্ধাহারে কোন রকমেই দিন কাটছে এ বৃদ্ধার। অথচ বিধবা কিংবা বয়স্ক ভাতার কার্ড জোটেনি তার ভাগ্যে। নাটোরের সিংড়া উপজেলার শুকাস ইউনিয়নের বিশ্বাসপুর চালাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা তিনি।
স্বামী মারা যাওয়ার পর মিনি এক সময় তিনি অন্যের বাড়ীতে গৃহস্থালির কাজ করতেন।

কিন্তু, বয়সের ভার এবং শারীরিক অসুস্থ্যতার কারণে তিনি আর কাজও করতে পারেননা। আর সে কারণে কোন বেলায় আহার জোটে আবার কোন বেলায় কাটে অনাহারে। খাবরই যেখানে জোটাতে হয় ভিক্ষা বৃত্তি করে সেখানে চিকিৎসা করাবেন কি করে। এ বৃদ্ধা আক্ষেপ করে বলেন, শুনেছি স্বামী মারা গেলে সরকার নাকি বিধবা ও বয়স্ক মানুষকে টাকা দেয়, কিন্তু আমার কপালে কোনটাই জুটলোনা।

এ বিষয়ে সুকাশ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নাই। সে কখন ও আমার কাছে আসেনি। তবে আগামীতে তার জন্য একটি কার্ড করার ব্যবস্থা করে দিব।

প্রিন্স, ঢাকা