নদী খালবিল শুকিয়ে যাওয়ায় বোরো আবাদে হুমকি

কটিয়াদীর প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার পৌর এলাকা ৯টি ইউনিয়নের ২০টি নদী ও খালবিল ভরাট হয়ে শুকিয়ে যাওয়ায় শুকনো মৌসুমে বোরো আবাদে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্চে।নদী ও খালবিল গুলো পানি শূন্য। চলতি শুষ্ক মৌসুমে নদী ও খালবিলের বুকে বোরো ধানের আবাদ করছে স্থানীয়রা। বর্তমানে খালের পানির অভাবে সেচ দিযে তেমন কোন চাষাবাদ হয়না।

শুধু খালের বুকে থাকা সামান্য পানিতে কিছু কৃষক প্রতিবছর বোরোচাষ করে থাকে।উপজেলা, জালালপুর, লোহাজুরী, মধ্যদিযে পুরাতন ব্রক্ষপুত্র, আড়িয়ালখাঁ, ভৈরবনদী,  আচমিতা,বনগ্রাম,  মুমুরদিয়া ও করগাঁও এর মধ্যদিয়ে প্রবাহিত পুরুষ বধিয়া, কুরয়ানি, বাগদাইর, চাতলিয়া, রোয়া, ঝাওয়া, কইরানী, রুপসা, দেওভাঙ্গা, ডেকিয়া, গাজীগিলা,  হাসা,  ভরা,  রাহি,  তপাই,  দৌলাবাইদ,  কুড়িখাই খালবিল, সুতী ও মাগুরা নদী শুকিয়ে গেছে।

এতে প্রায ১০ হাজার একর জামিতে সেচ দেয়া সম্ভব হচ্চেনা।পানির অভাবে যেমন জলজ সম্পদ বিনষ্ট হচ্চে তেমনি বিনষ্ট হচ্চে প্রাকৃতিক পরিবেশ।উপজেলার প্রধান নদী ও খালবিল গুলোর দু পাড়ে বিশাল ভ’মি দিনদিন দখল হয়ে যাচ্চে। নাব্য সংকটে নৌ চলাচল একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে।পানির অভাবে কৃষির ওপর প্রভাব পড়েছে। নদী ও খালবিলের আশেপাশে যে সমস্ত জমিতে বোরো আবাদ হয়, সে সমস্ত জমিতে পানির অভাবে সেচ কাজেরও সমস্যা হচ্চে বলে কৃষি বিভাগ জানায়।বর্তমানে নদী ও খালবিলের নাব্যতা না থাকায় এবং পানি শূন্য হয়ে পড়ায় সকল প্রকার নৌচলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্চে গ্রামের নিম্ন আয়ের মানুষ।উপজেলা কুষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর জানায়,  আসলে নদনদী খালবিল শুকিয়ে ধীরে ধীরে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাচ্চে।এলাকায় কৃষি উন্নয়নের স্বার্থে এ গুলোর সংস্কারের উদ্যোগ নিবেন বলে জানান তিনি।

নদী কমিশনের চেয়ারম্যান সাবেক সচিব মজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, আমি সদ্য যোগদান করেছি।নদনদী গুলো সরজমিনে দেখে এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

প্রিন্স, ঢাকা