শান্তিনগর বাজার ব্যবসায়ীগণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন

নিউজ ডেস্ক: ঐতিহ্যবাহী শান্তিনগর কাঁচাবাজার দিন দিন ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ছে। এ বাজারের পাশেই আরও একটি অবৈধ কাঁচাবাজার গড়ে উঠায় এ অবস্থা তৈরি হয়েছে। যার কারণে ব্যবসায়ীগণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, শান্তিনগর মোড় এবং চামেলীবাগ গলির ভেতরে দুটি অস্থায়ী বাজার গড়ে উঠেছে। যেখানে-সেখানে বসানো হচ্ছে কাঁচাবাজার। যার ফলে শান্তিনগর কাঁচাবাজারে ক্রেতাসংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়াও বৃষ্টির মৌসুমে বাজারের ভেতর জমে যায় পানি।

যদিও শান্তিনগর, চামেলীবাগ, বেইলিরোডসহ আশপাশের হাজারও মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী এ বাজার থেকেই করতে হয়। ১৯৫২ সালে সাড়ে সাত বিঘা জায়গার ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় শান্তিনগর কাঁচাবাজার। বর্তমান দোকান সংখ্যা রয়েছে ৫১৪টি । শাকসবজি থেকে শুরু করে সবকিছু পাওয়া যায়। দিন দিন এ বাজার ঐতিহ্য হারাচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা সরকারি কোষাগারে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব দিলেও বিভিন্ন কারণে শান্তিনগর বাজারের মাছ আর সবজি বাজার এখন প্রায় ক্রেতাশূন্য। মাস শেষে ঘর ভাড়া বিদ্যুৎ বিল দিয়ে তেমন কিছু থাকে না বলে জানান ব্যবসায়ীরা। বাজারের এক সবজি বিক্রেতা বলেন, ‘সকালে রাস্তায় অবৈধ বাজার বসার কারণে মানুষ এখান থেকে সব কিনে নেয়। যারা ঘুম থেকে দেরিতে উঠে একমাত্র তারাই বাজারে মাছ-সবজি কেনার জন্য আসে।’

আমিনবাগ কো-অপারেটিভ মার্কেট সোসাইটি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মজিবুল হক বলেন, আমরা সরকারকে রাজস্ব দিয়ে ব্যবসা করছি। আর সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা রাস্তায় বাজার বসিয়েছে চাঁদা তুলছে। এ বাজারের কারণে আমাদের বাজারের ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। একাধিকবার পুলিশ প্রশাসনসহ স্থানীয় থানায় এ বাজারটি বন্ধের লিখিত আবেদন করেও কোনো কাজ হয়নি। বাজারের সার্বিক উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, শান্তিনগরের এ বাজারকে এশিয়ার মধ্যে একটি আধুনিক বাজার করা হবে। এটা ভেঙে একটি আধুনিক ভবন তৈরি করা হবে। যেখানে মানুষ সব ধরনের কেনাকাটা করতে পারবে। মজিবুল হক বলেন, বাজারটি উচ্ছেদ করার জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি)’র মেয়র ্ও প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।যাতে শান্তিনগর বাজারটি পুরনো সেই ঐতিহ্য ফিরে পায়।