লোমকূপ ছোট দেখানোর উপায়

নিউজ ডেস্ক: সঠিক পরিচর্যায় মুখের লোমকূপ সংকুচিত রাখা যায়। 

ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ‘সিবাম’ উৎপাদন ও আর্দ্রতা বজায় রাখে লোমকূপ। লোমকূপ পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন যেন তাতে ময়লা জমে বন্ধ না হয়ে যায় এবং বড় দেখায়। আর ব্রণও দেখা দেয়।

রূপচর্চাবিষয়ক ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের উপর প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে সঠিকভাবে মুখ পরিচর্যার কয়েকটি পন্থা এখানে দেওয়া হল। যা লোমকূপ সংকুচিত ও ছোট করে রাখতে সাহাজ্য করবে।

নাকের চারপাশে লোমকূপ বেশি থাকে তাই তা সবসময় পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। ঠিক মতো পরিষ্কার রাখা না হলে ব্রণ, হোয়াইট হেডস ও ব্ল্যাক হেডস’য়ের সৃষ্টি হয়।

প্রতিদিন মুখ ধোওয়া: যতই কাজের চাপ থাক বা ক্লান্ত থাকুন, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মেইক-আপ তুলতে ভুলবেন না। দিন শেষে ভালোভাবে মুখ ধুয়ে নিন। ফলে মুখে থাকা ময়লা ও তেল ত্বকে স্থায়ী হতে পারবেনা।  

এক্সফলিয়েট: ‘পোর ‘ বা লোমকূপের ছিদ্র প্রতিহত করার চাবিকাঠি হল এক্সফলিয়েট। ভালো এক্সফলিয়েটর দিয়ে লোমকূপে জমে থাকা ময়লা ও মৃত কোষ দূর হয়। এক্সফলিয়েট করার সময় নাক ও থুতনির দিকে বেশি মনোযোগ দিন। 

টোন: ত্বক পরিচর্যায় টোনার খুব ভালো কাজ করে। মুখ ধোয়ার পরে ল্যাক্টিক অথবা গ্লাইকোলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ উন্নতমানের টোনার ব্যবহার করুন। এটা লোমকূপ টানটান রাখতে সাহায্য করে। ত্বকে পিএইচ’য়ের ভারসাম্য বজায় রাখতেও সহায়তা করে।

প্রাইম: মেইক-আপ ব্যবহারের আগে প্রাইমারের ব্যবহার ত্বকে আমুল পরিবর্তন আনে। এটা ব্যবহারে ত্বক মসৃণ ও কোমলভাব আসে। অধিকাংশ ত্বকের ক্ষেত্রে সিলিকন বা ডিমেথিকন সমৃদ্ধ প্রাইমার খুব ভালো কাজ করে।

সানস্ক্রিন ব্যবহার: ত্বক সুরক্ষায় নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার অভ্যাস করে ফেলুন। কারণ সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি ত্বকের কোষকলা ভেঙে দেয় আর চামড়া নমনীয় করে ফেলে। তাই লোমকূপ হয়ে যায় বড়। তাই ঘরে কিংবা বাইরে সানস্ক্রিন মাখার কথা মাথায় রাখুন। আর যে সানস্ক্রিন নিজের ত্বকের জন্য উপযুক্ত সেটা বাছাই করে নিন।