গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট কি বাংলায় আসছে?

নিউজ ডেস্ক: বাংলা ভাষাকে বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে গুগল। অনলাইনে বাংলা ভাষার ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলায় গুগল অ্যাডসেন্স চালু করা হয়েছে। এ ছাড়া নলেজ গ্রাফ, স্পিচ-টু-টেক্সটে বাংলা যুক্ত হয়েছে। এবার কি গুগলের অ্যাসিস্ট্যান্ট সফটওয়্যারে বাংলা ভাষাকে যুক্ত করতে যাচ্ছে? সম্প্রতি গুগলের এক কর্মকর্তার ছবিতে অ্যাসিস্ট্যান্ট চালুর সম্ভাব্য দেশের তালিকায় বাংলাদেশকে দেখা গেছে।

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট অ্যান্ড্রয়েড পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ৩৮টি দেশে ও ১৭টি ভাষায় চালু হবে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট। গুগলের তৈরি অ্যাসিস্ট্যান্ট সফটওয়্যারটিকে মূলত ভার্চ্যুয়াল সহকারী বলা হয়। স্মার্টফোন ও স্মার্ট হোম ডিভাইস এটি সমর্থন করে। এটি দ্বিপক্ষীয় কথোপকথন চালাতে পারে।

নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ডিজিটাল নিউজ ইনিশিয়েটিভ (ডিএনআই) সম্মেলনে গুগলের পক্ষ থেকে ৩৮টি দেশে ডিজিটাল সহকারী চালু করার কথা বলা হয়। এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৫২টি দেশে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট চালুর ঘটনা ঘটবে। এ বছর যেসব দেশে অ্যাসিস্ট্যান্ট চালু হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে তার মধ্যে রয়েছে রাশিয়া, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন, ইতালি, সৌদি আরবসহ আরও বেশ কয়েকটি দেশ। এর মধ্যে হিন্দিসহ ভারতের কয়েকটি ভাষা অ্যাসিস্ট্যান্ট আসতে পারে বলে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

বর্তমানে এই ভার্চ্যুয়াল সহকারী সফটওয়্যারটি ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, জার্মান, ইতালিয়ান, কোরীয়, স্প্যানিশ ও পর্তুগিজ ভাষা সমর্থন করে। এটি অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মান, জাপান, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে চালু আছে।

অবশ্য নতুন দেশগুলোয় কবে ও কখন অ্যাসিস্ট্যান্ট চালু হবে, এ বিষয়ে স্পষ্ট করে গুগলের পক্ষ থেকে কিছু বলা হয়নি। ভাষা সমর্থনের বিষয়টিও গুগল জানায়নি। তবে ডিএনআই সম্মেলনে দেখানো ম্যাপটিতে সম্ভাব্য দেশগুলোর একটি ধারণা পাওয়া যায়। ওই সম্মেলনে উপস্থিত এক সাংবাদিক ম্যাপটির ছবিসহ টুইট করেন। ওই ছবিতে নীল রঙে দেখানো দেশগুলোয় বর্তমানে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট চালু আছে। যে দেশগুলোয় সাদা রং দেখানো হয়েছে, সেগুলোয় এ বছরের মধ্যেই গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট চালু হতে পারে। সেখানে বাংলাদেশকে সাদা রঙে দেখানো হয়েছে।

নতুন দেশগুলোয় গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট সফটওয়্যার চালুর পর গুগল হোম সিরিজ ও স্মার্ট স্পিকার বাড়বে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি। গুগলের তৈরি এসব যন্ত্র গুগলের সফটওয়্যারটির ওপর নির্ভর করে। ব্যবহারকারীর নির্দেশ মেনে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করতে পারে।