প্রশান্তি পেতে ফুল প্রেমীদের স্কুল আঙ্গিনায় আগমন

রাউজান প্রতিনিধি: ফুলকে ভালবাসেনা এমন লোক কমই পাওয়া যাবে। ফুলের দৃশ্যের মাঝে মানুষ হারিয়ে ফেলে সমস্ত দুঃখ বেদনা। ফুল মানুষকে আকৃষ্ট করার পেছনে প্রকৃতি কাজ করে। গতকাল মঙ্গলবার তখন বিকাল ৫টা ১৫মিনিট চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি সড়কের লাগুয়া রাউজানের প্রাচীনতম গহিরা এ.জে.ওয়াই.এম এস বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে দৃষ্টি নন্দন ফুলের বাগানের দিকে চোখ গেলে দেখা যায় অসংখ্য যুবক ফুল বাগান ঘিরে আনন্দ উপভোগ করছে।

তখন দেখাযায় ফুল বাগানকে নিয়ে সেলফি তুলতে ব্যস্ত অনেকেই। গিয়ে দেখাগেল ফুল কে ভালবাসতে,ফুলের সুগন্ধি নিতে অসংখ্য যুবক প্রতিদিন বিকালে অবসর সময়ে ছুটে আসেন সে স্কুল প্রাঙ্গনে। ফুল বাগান দেখতে আসা ফুল প্রেমীক ঐ স্কুলের ৮ম শ্রেণীর ছাত্র শফিকুর রহমান,আশিকুল্লাহ,মিজান উদ্দিন, বলেন ক্লাস চলাকালিন সময়ে ফুল বাগানে এসে তৃপ্তি মিটাতে না পাড়ায় প্রতিদিন বিকালে ফুল বাগান দেখতে আমরা বাড়ী থেকে ছুটে আসি।

গহিরা চৌমহনী কাপড় টেইলার্স মোহাম্মদ সাকিব বললেন ফুল আমাকে আকৃষ্ট করে তাই দৈনিক একবার এই ফুল বাগান দেখার জন্য আসতে হয়। চট্টগ্রাম শহরের সাবরেজিস্ট্রারি অফিসে কর্মরত মোহাম্মদ আবু রাসেল রনি জানান বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়ার ফাঁকে একবার এই ফুল বাগান না দেখে বাড়ী যেথে পারিনা। ঐ এলাকার পৌর কাউন্সিলর কাজী মোহাম্মদ ইকবাল বলেন,এই ফুল বাগানের ফুল গুলো দেখলেই মন ভরে যায়। সমস্ত দুঃখ চিন্তা মুচে যায় মন থেকে।

তিনি জানান আশ্চার্য্য বিষয় হচ্ছে কয়েক হাজার ফুল ফুটে রয়েছে একটি ফুলও কেউ হাত লাগিয়ে ছিড়েছে এমন প্রমান নেই। স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহ খুব যত্ন সহকারে এ বাগানটি উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় গড়ে তুলেছেন। স্কুলের শত শত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এ ফুল বাগান প্রতিটি মানুষে জীবন ফুলের মত হওয়ার শিক্ষা দিচ্ছে। এ ফুল বাগানটি বর্তমানে বিনোদনের স্পটে পরিনত হয়েছে। রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম হোসেন রেজা বলেন সুন্দর ও পরিচন্ন রাউজান গড়ার লক্ষে রাউজানের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল কলেজ মাদ্রাসা,সরকারী অফিস,মসজিদ,মন্দির সহ প্রতিটি স্থানে ফুলের বাগান কারা হয়েছে। তিনি জানান তৎমধ্যে আমার বিচারে গহিরা এজে ওয়াই এম এস বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রথম স্থান লাভ করেছে। তাদের বাগানটি বেশি দৃষ্টি আকর্ষিত হচ্ছে।

প্রিন্স, ঢাকা