বোমা বিস্ফোরনের ছবি তুলতে গিয়ে গণমাধ্যম কর্মি আহত

বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল বন্দর এলাকায় দ্বিতীয় দিনের মত মুর্হু মুর্হু বোমা বিস্ফোরনে গোটা বন্দর এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার সকালে বোমা বিস্ফোরনের ছবি তুলতে গিয়ে ইনডিপেন্ডডেন্ট টিভির যশোর জেলা প্রতিনিধি জিয়াউর রহমান জিয়া ও ক্যামেরাম্যান শরীফ উদ্দিন গুরুতর আহত হন।

তাদের ব্যবহৃত ক্যামেরাও ভাংচুর করা হয়। বেনাপোলের সাংবাদিকরা আহত সাংবাদিকদের উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গতকাল মংগলবার বন্দর শ্রমিকদের মধ্যে বোমাবাজি, গুলি বর্ষন ও সংঘর্ষে ২ জন শ্রমিক গুরুতর আহত হয়।

তারই ধারাবাহিকতায় আজও আতংক সৃস্টি করার জন্য বোমা বিস্ফোরন ঘটনো হয় সকাল ১০টার দিকে। আজ বুধবার সকাল থেকে শুরু হয় বোমার তান্ডব। তবে দু’দেশের মধ্যে আমদানি রফতানি বানিজ্য স্বাভাবিক রয়েছে। সকাল থেকে বন্দরে সব ধরনের মালামাল লোড আনলোড চলছে। ভারতে পাসপোর্ট যাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক আছে।

এদিকে মূর্হমুর্হু বোমার বিষ্ফোরনে বেনাপোল বাজারের সকল দোকানপাট ও বন্দরের প্রধান প্রধান গেট গুলো নিরাপত্তার কারণে বন্ধ করে দেয়া হয়। আতঙ্কে বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষনা করা হয়। বেনাপোল থেকে এ সময় দুরপাল্লার কোন যানবাহন ছেড়ে যায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বেনাপোল বন্দর এলাকায় অতিরিক্ত দাংগা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এলাকায় বিরাজ করছে থমথমে অবস্থা।

এদিকে দুপুরে যশোর প্রেস ক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন , সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও জড়িত সন্ত্রাসীদের আটকের অল্টিমেটাম দিয়ে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে করেছে।

বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি অপূর্ব হাসান জানান,সকালের দিকে দিঘিরপাড় এলাকায় বোমা বিস্ফোরন ঘটলেও পুলিশ দ্রুত ঘঁটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। বর্তমানে বন্দরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রযেছে।

প্রিন্স, ঢাকা