একুশের গ্রন্থমেলার পরিসর ও প্রকাশনা সংস্থা বেড়েছে

নিউজ ডেস্ক:  গতবছর মেলায় পাঁচ লাখ ১৩ হাজার বর্গফুট এলাকায় মেলা বসেছিল। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে পাঁচ লাখ বর্গফুট। স্টলের ইউনিট বেড়েছে ৪১টি। গত বছর মেলায় ইউনিট ছিল ৬৫৯টি। এবার ৪৬০টি প্রতিষ্ঠানকে ৭০০ ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রকাশনা সংস্থার সংখ্যা বেড়েছে মোট ৬০টি। এর মধ্যে নতুন প্রকাশনা ৩৪ এবং লিটল ম্যাগ ও অন্যান্য সংস্থার সংখ্যা বেড়েছে ২৬টি। প্যাভিলিয়ন বেড়েছে ১২টি। গতবার প্যাভিলিয়ন ছিল ১১, এবার হচ্ছে ২৩টি।

এবারের মেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে। নিরাপত্তাকর্মীর সংখ্যাও বাড়বে। পুলিশ,র‌্যাবসহ অন্যান্য ফোর্সের কর্মীদের জন্য অস্থায়ী ক্যাম্পের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ও দোয়েল চত্বরের কাছে নিরাপত্তা বেষ্টনী জোরদার হচ্ছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রবেশ পথেও নিরাপত্তা বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

বাংলা একাডেমির পরিচালক ও একুশের গ্রন্থমেলা কমিটির সদস্য সচিব ড. জালাল আহমেদ বলেন, এবার ৮৩টি নতুন প্রকাশনা সংস্থা আবেদন করেছিল। তাদের মধ্যে ৬০টিকে স্টল দেওয়া হয়েছে। ফলে এবারের মেলায় অংশগ্রহণের জন্য প্রকাশকদের সংখ্যা বেড়েছে। বৃদ্ধি পাচ্ছে মেলার পরিসর। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গতবারের চেয়ে বেশকিছু বেশি জায়গায় স্টল হচ্ছে অংশগ্রহণকারী সংস্থা বৃদ্ধির কারণে।

তিনি জানান, লেখক, সাহিত্যিক, কবি, বিভিন্ন অঙ্গনের সিনিয়র ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিজীবীসহ বিশিষ্ট নাগরিকদের প্রবেশের জন্য এবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতর দিয়ে একটি গেট বসানো হবে।

১ ফেব্রুয়ারি থেকে একুশের গ্রন্থমেলা শুরু হবে। গ্রন্থমেলায় মাসব্যাপী থাকছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা। এর মধ্যে রয়েছে সেমিনার, বইয়ের মোড়ক উন্মোচন, প্রকাশনা উৎসব, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। খবর বাসস।