হে কবি তুমি এসো

এম.এস প্রিন্স

হে কবি তুমি কোথায়?
নীরবে শুনি আজো তোমার সেই ডাক
সেই স্বপ্ন বিভোরে তাই ভাবি তোমাকেই জীবনের জাঁক।
হয়ত আজ এই আর ধরা তরে – দিনকে দিনের পরে
মালি বেশে বাগান পরিচর্যা করিতে গিয়ে
ব্যর্থ জীবন ব্যস্ত হলো এক মহূয়া ফোঁটায়ে।
এখানে হাসি গল্প করি – তবে গভীরে আমি নিথর
বুঝিতে দেই নাই তারে – ‘ঈশ্বরের আমানত যার ওপর।’
অভিনয় শুধু তার নয়ন সম্মুখে আমার চলাচল
তুমি প্রথম প্রেম প্রথম চাওয়া- এই ভাবনায় নিটোল
আজো। নিরুদ্দেশ কেন তুমি – কেন স্বরের কলকল ধ্বনি
শুধু আকাশে বাতাসে শুনি?
তুমি এসো – ভুলে যাও মান অভিমান কূলজাত
হে কবি! এসো – একবার করি নয়নে নয়নে দৃষ্টিপাত।

পাঁচ বৎসর পূর্বে – গুরুদয়ালের কৃষ্ণচূড়ার তল
প্রেমের অধ্যাপনা ছিল দু’জনার বেহেস্তি ফল।
দেখিতে পাই নাই ধরিতে পারি নাই তবু ইচ্ছেমত
কি মায়ার টান, আহ্!
দু’জনার তরে মাথা দু’জনে করেছি নত।
সাথের ভাই বোন বন্ধু যত – আমাদের ওসব
সবুজে সবুজে সাজায়েছে তোলেছে পাখির মত কলরব।
আর আমরা! জলের স্রোতের মত ভেসেছি হাওয়ায়
বাবুই শালিক- ওখানের কিছু ঝিকিমিকি-
কাজল করিয়া লাগায়েছে চোখের কোনায়।
ফোনে হাজার কথা হলেও ভাষা! তার থেকে ধার নিয়ে-
চিঠিতে করেছি প্রেম বিনিময়
তবে কেন আজ এই সংশয়?
আমি তো আজো তোমার-
সেই আফসানা আফসানা করিয়া এই রহিমপুর
সেই মায়া-তলে এই পৃথিবী ঢাকিয়া জ্বালাই সেই প্রেমের নুর।
সেই প্রেমের কুসুম কোমলে করি আজো দিনাতিপাত
হে কবি! নিরুদ্দেশ কেন তুমি?
এসো- একবার করি নয়নে নয়নে দৃষ্টিপাত।