মানুষের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় গ্রাম আদালত

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর মানুষের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় গ্রাম আদালতকে ঢেলে সাজিয়েছেন। সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা বর্তমান সরকারের একটি অন্যতম অঙ্গিকার। অনেক সময় গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন তুচ্ছ বিষয় নিয়ে সংগঠিত বিরোধ চরম পর্যায়ে পৌঁছে।

একে অপরের বিরুদ্ধে থানা কিংবা আদালতে মামলা করার ফলে উভয়েই ক্ষতির সম্মুখীন হয়। ছোট-খাট দেওয়ানী ও ফৌজদারী বিরোধসমূহ স্থানীয়ভাবে নিস্পত্তি করা যায় তাহলে একদিকে নিম্ন আদালত থেকে শুরু করে উচ্চ আদালত পর্যন্ত মামলার জট অনেকাংশে হ্রাস পাবে। অন্যদিকে গরিব ও অসহায় মানুষ স্বল্প সময়ে অল্প খরচে ন্যায় বিচার পাবে। এজন্য গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী করতে ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক হতে হবে। আমরা দেশকে উন্নয়নে বদলে দিতে পারলে নিজেরাও বদলে যাব।

রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম নগরীর স্টেশন রোডস্থ এশিয়ান এসআর হোটেলের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত ইউনিয়ন পরিষদ সচিব ও সহকারীদের গ্রাম আদালত বিষয়ক ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মোহা. নায়েব আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগের বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটর উজ্জ্বল কুমার দাস চৌধুরী। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রমিজ আলম, সংবাদ সংস্থা এনএনবি’র চট্টগ্রাম প্রধান সাংবাদিক রনজিত কুমার শীল ও সহযোগী সংস্থা বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) জেলা সমস্বয়কারী সাজেদুল আনোয়ার ভূঁইঞা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, লোহাগাড়া উপজেলার একটি ইউনিয়নের সচিব ও এসব ইউনিয়নের গ্রাম আদালত সহকারীরা প্রক্ষিণ কর্মশালায় অংশ নেন। ইউনিয়নগুলো হচ্ছে-ফটিকছড়ির দাঁতমারা, ভুজপুর, নারায়ণহাট, সুয়াবিল, বক্তপুর, জাফতনগর, পাইন্দং, লেলাং, নানুপুর, রোসাংগিরি, ধর্মপুর, সুন্দরপুর ও লোহাগাড়ার চুনতি।