সেনা মোতায়নের বিপক্ষে কিছু দেখি না: সিইসি

নিউজ ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন একটি বাস্তবতা। আগে নির্বাচনগুলোতে সেনা মোতায়নে হয়েছে। সুতরাং এবারের নির্বাচনগুলোতে যে সেনা মোতায়েন হবে না সেটা বলা যাবে না। আমরা তো সেনা মোতায়নের বিপক্ষ কিছু দেখি না।

সিইসি নুরুল হুদা বিবিসির প্রবাহ টিভি অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

জাতীয় নির্বাচনেের সময় সেনা মোতায়নে নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে নির্বাচনের আগে বির্তক হয়। প্রেক্ষাপটে এসব কথা বললেন সিইসি।

তিনি মনে করেন, কোন রাজনৈতিক দলের আসন্ন নির্বাচন বয়কটের আশঙ্কা নেই।

আর যদি বয়কট করে সেক্ষেত্রে সাংবিধানিক যে প্রক্রিয়া রয়েছে সে অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের কাজ করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করে বলেন, সংবিধানের বাইরে তো কিছু করা যাবে না। তবে আমি শতভাগ আশাবাদী সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি মনে করে একটি নিরপেক্ষ সরকার না থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

সেক্ষেত্রে বিএনপিকে আশস্ত করার জন্য নির্বাচন কমিশন কী করত পারে এমন প্রশ্নে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমি বলতে পারি নির্বাচন কমিশন যে পরিবেশ-পরিস্থিতি হোক না কেন, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। কোন ধরনের সরকার হবে এটা নির্বাচন কমিশন নির্ধারণ করতে পারে না।’

রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে নির্বাচন কমিশনের সংলাপ অনুষ্ঠিত হবার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘সে সংলাপের উদ্দেশ্য ছিল সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠান করা এবং সংলাপের মাধ্যমে সবগুলো রাজনৈতিক দল আশ্বস্ত হয়েছে। তারা সবাই বিশ্বাস করেছেন নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব।’

তিনি দাবী করেন, বর্তমান কমিশনের অধীনে ৬০০’র বেশি স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সেগুলো নিয়ে কোন বিতর্ক সৃষ্টি হয়নি।