তীব্র শীতে কাঁপছে নাটোর বাসী

নাটোর প্রতিনিধি: তীব্র শীতে কাঁপছে নাটোরের শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সব বয়সী মানুষ। অত্যধিক ঠান্ডায় নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছে শিশু এবং বৃদ্ধরা। শুক্রবারে নাটোরে রাতের তাপমাত্রা ছিল ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস । প্রতিদিন কমতে কমতে রবিবার রাতে তাপমাত্রা নামে ৫ ডিগ্রীতে। অধিক শীতে জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।

নাটোরে তীব্র শীতের কারণে মানুষ ধরে রাখতে পারছে না জীবনযাত্রার স্বাভাবিক গতি। পারিবারিক জীবনে দৈনন্দিন কাজ সহ খাওয়া-দাওয়া, খেলাধূলা ও ঘুমানোর সময় মেনে চলা সম্ভব হচ্ছে না তীব্র শীতের কারণে। শিশু ও বয়স্করা সহসাই ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।

হাট-বাজারের অধিকাংশ দোকান বন্ধ করা হচ্ছে সন্ধ্যার দিকে এবং পরের দিন দোকান খুলছে সকাল ১১টার দিকে। পাড়া-মহল্লায় সন্ধ্যাতেই নেমে আসে গভীর রাতের নিস্তব্ধতা। রবিবার রাত থেকে সোমবার সকাল ৯টা সরেজমিনে নাটোর শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা গেছে, স্কুল-কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম। প্রাইমারী স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীরা মোটা সোয়েটার, মাফলার পড়ে ক্লাসে এসেছে। অপরদিকে ব্যাংক, এনজিও ও সরকারী অফিসগুলো সকাল ৯টায় কার্যক্রম শুরুর কথা হলেও সেটা কার্যতঃ সম্ভব হচ্ছে না।

শহরে রাত ৯ টার পরে অটোরিক্সা সহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল কমে যায় এবং বেশিরভাগ দোকানপাট রাত ৮ টা থেকে ৯টার মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। তবে শীতের হাত থেকে রক্ষার জন্য গরম কাপড়ের দোকানে নারী-পুরুষদের ভীড় লক্ষণীয়। এদিকে বিভিন্ন উপজেলায় শীতের তীব্রতার কারণে সেখানের স্কুল গুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে।

প্রাইমারী স্কুলগলোর অনেক শ্রেণী কক্ষে শিক্ষার্থীদেও অনুপস্থিতিতে ফাঁকাই পরে থাকে। বিভিন্ন সড়ক বিশেষ করে গ্রামীণ সড়কগুলোতে সকাল ১১টার আগে ও সন্ধ্যা ৬টার পর যানবাহন তুলনামূলক ভাবে অনেক কম দেখা যায়।

ইাটোর শহরের বিভিন্ন শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের চেম্বারে শিশুরোগীদের উপস্থিতি বেড়ে গেছে। নাটোর সদও হাসপাতালের আরএমও ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, তীব্র শীতের কারণে শিশু ও বয়স্করা সবচেয়ে বেশী শীতজনিত রোগে ভুগছে। এসময় তাদেরকে অধিক যত্নে রাখতে হবে।

প্রিন্স, ঢাকা