রাবিতে সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) তিনদিনব্যাপী সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ও আন্ত:কক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিত- ২০১৭ উপলক্ষে পুরস্কার প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার বিকেল ৫টার সময় শহীদুল্লা কলাভবনের ১৫০নম্বর কক্ষে বাংলা বিভাগ এ পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে শুরুতে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যকে সম্মাননা স্মারক ও কেটস প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনন্দ কুমার সাহা, প্রক্টর লুতফর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা জান্নাতুল ফেরদৌস এবং বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মানিকুল ইসলাম স্বাগত বক্তৃতা করেন।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য আব্দুস সোবহান বলেন, বাংলাবিভাগ একটি ঐতিহ্যবাহী বিভাগ। এ বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, ভাষাবিদ অধ্যাপক শহীদুল্লাহ, মাজহারুল ইসলাম এমন সুনামধন্য অনেকে। শুধু ভালো লেখাপড়ার মাধ্যমে ভালো মানুষ হওয়া যায় না। লেখাপড়ার পাশাপাশি কো- কারিকুলাম ও এক্সট্রা কারিকুলাম প্রয়োজন।

এসবের মাধ্যমে যেমন ছাত্র শিক্ষকদের মাঝে সম্পর্ক বাড়ে তেমনি ছাত্র শিক্ষকদের মাঝে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। বাংলা আমদের মাতৃভাষা , কিন্তু কতজনই বা বাংলা চর্চা করে। বর্তমানে ১৮৯টি দেশে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করছে। যারা এদেশের মাতৃভাষার বিরোধিতা করেছে তারাও বর্তমানে মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করতে বাধ্য হচ্ছে।

এছাড়াও বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতার বাজারে আমরা আমাদের ছাত্রদের প্রতিযোগিতার যোগ্য করে ছেড়ে দিতে চাই। বাংলা সাহিত্য যারা অধ্যয়ণ করে সাম্প্রদায়িকতা ও মনের ময়লা দূর করতে না পারি তাহলে সাহিত্য পড়া বৃথা থাকবে না। আর যদি থাকে তাহলে সাহিত্য পড়ে কি লাভ? বক্তৃতা শেষে বিজয়ীদের হাতে প্রধান অতিথি পুরস্কার তুলে দেন। এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক পি এম সফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সহকারী অধ্যাপক সুমাইয়া খানমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. সুজিত কুমার , অধ্যাপক ড.শহীদ ইকবাল, অধ্যাপক ড. মনিরা কায়েস, ড. সুমাইয়া খানম, সৈয়দ তৌফিক জুহরী , মো. দেলোয়ার হোসাইন, পুরনজিত মহালদার, এস এম সাইদুল আম্বিয়া, ড. মোসা. শামসুন নাহার, তানিয়া তহমিনা সরকার, গৌতম দত্ত, মো. সুজা উদ-দৌলা প্রমুখ শিক্ষক এবং শতাধিক শিক্ষার্থী।

প্রিন্স, ঢাকা