রাবিতে বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস পালিত

রাবি প্রতিনিধি: বিভিন্ন র্কমসূচরি মধ্যদিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস পালিত হয়ছে। দিবসটি উপলক্ষে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়র শহীদুল্লাহ কলাভবন থেকে র‌্যালী বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে মিলিত হয়। র‌্যালী শেষে ‘বিশ্ব আরবি ভাষা দিবস’ শিরোনামে সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

আরবি বিভাগের সভাপতি প্রফেসর মো. আবু বকর সিদ্দিকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম আবদুস সোবহান,বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড.আনন্দ কুমার সাহা ও কলা অনুষদের ডীন এফ এম এ এইচ তাকী।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক সভা-সেমিনারে ও অধিবেশনগুলোতে অন্যান্য ভাষার ব্যবহার হলেও আরবি ভাষার কোনো স্থান ছিল না। তবে ১৮ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভার ২৮তম অধিবেশনে আরবি ভাষাকে জাতিসংঘের ষষ্ঠতম দাপ্তরিক ভাষার স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। ২০১২ সালে জাতিসংঘের সংস্কৃতি ও বিজ্ঞানবিষয়ক সংস্থা (ইউনেস্কো) সেই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ২৮ ডিসেম্বরকে বিশ্ব ভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়।

এসময় বক্তারা আরো বলেন, একটি শিশু যখন জন্ম গ্রহণ করে তখন প্রথম আরবি ভাষা উচ্চারণ করে। যখন মারা যায় এবং তার যানাযার নামাজ পড়া হয় আরবিতে। বিশ্বে প্রায় ২৮ টি দেশের ভাষা আরবি। বিশ্বে প্রায় সোয়া একশ কোটি মানুষ মুসলমান। তারা প্রতিদিন না হলেও আধাঘণ্টা আরবি চর্চা করে। বর্তমান রেজিষ্ট্রার এম এ বারী ছিলেন আরবি বিভাগের। তিনি দুইবার ভাইস-চান্সেলর হয়েছিলেন।আরবি সাহিত্য পড়ে এমন নক্ষত্র অনেক রয়েছে। এজন্য আরবি ভাষাকে অবহেলা করা উচিত নয়।

বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্মগ্রন্থ কোরআন শরীফ তা আরবি ভাষাতে রচিত , আমাদের মহানবী (সা:) এর ভাষা ছিল আরবি। বিশ্বের প্রথম মানব মানবীর ভাষাও ছিল আরবি।এছাড়াও আরবি ভাষার সমস্যা সমাধান করে পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথা বলেন। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আরবি ভাষার প্রসার ও সচেতনার কথা বলেন।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রবন্ধকার প্রফেসর ড. মো. নিজামউদ্দীন, প্রফেসর এ কে এম শামসুল আলম, প্রফেসর এস এম আবদুস সালাম, প্রফেসর ড. মু নকিবুল্লা, সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহা. বিল্লাল হুসাইন, প্রভাষক ড. জিয়াউর রহমান খান প্রমুখ।

এ ছাড়াও সেমিনারে দুই শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

প্রিন্স, ঢাকা