রাবি ও রুয়েটে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস পালিত

রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) এবং রাজশাহী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস পালিত হয়েছে। ১২ ডিসেম্বরকে জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস ঘোষণা উপলক্ষে প্রথমবারের মতো উৎযাপিত হচ্ছে দিবসটি। দিবসটির মূল পতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘সবার জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট’

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় চতুর্থ বিজ্ঞান ভবন থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সিনেট ভবনের সামনে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাজ্জাদুর রহিমের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন, প্রকৌশল অনুষদের ডিন ফলিত পদার্থবিজ্ঞান ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড.মো.মামুন-উর-রশীদ খন্দকার, ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড.দীপংকর দাশ,ফলিত পদার্থবিজ্ঞান ও ইলেকট্রনিক বিভাগের অধ্যাপক ড. আরিফুল ইসলাম নাহিদ প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিদ্যুৎ যেমন অপরিহার্য তেমনি আইসিটি ব্যবহার তেমনি অপরিহার্য। প্রযুক্তির দুইটা দিক, দুইধারী তলোয়ারের মতো এর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের জ্ঞান না থাকলে অনেক বেশি ক্ষতিসাধন করতে পারে। আমরা অন্যের উদ্ভাবন করা প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছি কিন্তু এখন আমাদের উচিত নিজেদের প্রয়োজনে নিরাপত্তার জন্য নিজস্ব প্রদ্ধতির প্রযুক্তির আবিষ্কার করা।’ প্রযুক্তির নানা সেক্টরে আমরা বহির্বিশ্বের তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছি। কাজেই এক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য আমাদের আইসিটির ফিজিক্যাল ব্যাকবোন এবং আইসিটি বিভাগের দক্ষ প্রফেশনাল সেক্টরগুলোতে উন্নতি করতে হবে। শুধুমাত্র কম্পিউটার সিস্টেম দিয়ে আইসিটি সিস্টেমকে ডেভেলপমেন্ট করা যায় না কমিউনিকেশন সাইডও একইভাবে ডেভেলপ করতে হবে।

এদিকে সকাল ১০টায় রাজশাহী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হবে। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপুর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়েরর কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এসে শেষ হয়। পরে মিলনায়তনে ভিডিও প্রদশর্নী অনুষ্ঠিত হয় ।

ভিডিও প্রদর্শনী শেষে ‘আমার দেখা ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রকৌশল অনুষদের অন্যান্য শিক্ষকসহ প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

প্রিন্স, ঢাকা