হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের বৈধতা প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

নিউজ ডেস্ক: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় মডেল ট্যাক্সের (আদর্শ তফসিল) অতিরিক্ত (অসামঞ্জস্যপূর্ণ) হোল্ডিং ট্যাক্স আদায় কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রোববার রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি এম ফারুক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেন। এ ট্যাক্স আদায়ে বিভিন্ন সময়ে জারি করা নোটিশের কার্যকারিতাও স্থগিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে নোটিশগুলো কেন আইনগত কৃর্তত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না- রুলে তাও জানতে চেয়েছে আদালত।

রাজধানীর খিলগাঁও এলাকার ১০৪ জন বাসিন্দা আবেদনকারী হয়ে হাইকোর্টে এ রিট দায়ের করেন। রিটে স্থানীয় সরকার সচিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ৫ জনকে রেসপনডেন্ট (প্রতিপক্ষ) করা হয়েছে।

আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মো. মোকতাদির রহমান। তিনি সাংবাদিকদের জানান, মিউনিসিপাল করপোরেশন (ট্যাক্সেশন) রুলস-১৯৮৬ অনুসারে ২০১৫ সালে একটি গেজেট প্রকাশ করা হয়। ওই রুলসটি বাতিল করে ২০০৯ সালে সিটি করপোরেশন আইন করা হয়েছে। এ আইনের অধীনে ট্যাক্স আদায়ের জন্য রুলসও করা হয়েছে। তবে রুলসটি এখনো কার্যকর করা হয়নি। এ অবস্থায়

মিউনিসিপাল করপোরেশন (ট্যাক্সেশন) রুলস-১৯৮৬ অনুসারে ট্যাক্স আদায় করছে সিটি করপোরেশন। ২০১৫ সালের ওই গেজেট ইমারত ও জমির উপর কর শতকরা ৭ ভাগ, ময়লা নিষ্কাশন বাবদ শতকরা ৭ ভাগ, সড়ক বাতি বাবদ শতকরা ৫ ভাগ ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়। এ তিনটি খাতসহ পাঁচটি খাতে শতকরা ৩০ ভাগ ট্যাক্স (বাড়ি ভাড়ার বার্ষিক মূল্যায়নের ওপর) নির্ধারণ করা হয়।

কিন্তু করপোরেশন এর বাইরে গিয়ে কোনো কোনো ক্ষেত্রে নোটিশ দিয়ে ৩২০ ভাগ থেকে ৯৭৬ ভাগ পর্যন্ত আদায় করছে। ওইসব নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতে এ রিট করা হয়।