রাউজানে ১৭ তম বিশাল জসনে জুলুছ অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: উত্তর চট্টগ্রামের বিশাল ১৭ তম জসনে জুলুছ রাউজানে গতকাল সোমবার সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে নবীপ্রেমীকদের ঢল নেমেছিল। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামআত হলদিয়া ডাবুয়া কতৃক আয়োজিত বিশাল এ জুলুছে নেতৃত্ব দেন পীরে তরিকত গর্জনীয়া ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আহসান হাবীব (মুজিআ)।

প্রতি বছরের ন্যায় পায়ে হেটে উত্তর সর্তা দরগাহ বাজার হতে দোস্ত মোহাম্মদ সড়কদিয়ে আমিরহাট হযরত এয়াছিন শাহ্ সড়ক,চৌধুরী বটতল,ধরবারী সড়ক,জগন্নাথহাট বাজার,আবার দোস্ত মোহাম্মদ সড়ক হয়ে এয়াছিন শাহ্ পাবলিক কলেজ ময়দানে জুলুছের সমাপ্তি ঘটে। বিশাল এই জসনে জুলুছে হাজার হাজার আশেকে রাসুল অংশগ্রহণ করে। নারায়ে তাকবীর,নারায়ে রেছালাত শ্লোগান ও বিভিন্ন নাত শরীফ তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমগ্র এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। সকাল ৭টা থেকে নবী প্রেমীকরা ব্যানার,ফেস্টুন,কালেমা ও দরুদ শরীফ সম্ভলিত পতাকা নিয়ে উপস্থিত হতে থাকে দরগাহ বাজারে। শিশু থেকে শুরু করে ৯০ বছরের বৃদ্ধ পর্যন্ত এই জুলুছে অংশগ্রহন করে। এই জুলুছ কে কেন্দ্র করে রাউজানে ব্যাপক আনন্দ পরিলক্ষিত হয়।স্কুল কলেজ মাদ্রাসার পাশাপাশি সাধারন জনসাধারন এই জুলুছে শরিক হয়ে এলাকাবাসীকে জানান দে আজকে মোদের খুশির দিন,সকল ঈদের সেরা ঈদ,ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.)।

জুলুস পরবর্তি আলোচনা সভা কলেজ মাঠে অধ্যক্ষ আল্লামা আহসান হাবীবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। জুলুছ কমিটির সচিব আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম ও সৈয়্যদ আলী আকবরের পরিচালনায় এতে প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখেন রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এহসানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল।

বক্তব্য রাখেন হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযুদ্ধা শফিকুল ইসলাম,অধ্যক্ষ আমির আহমদ আনোয়ারী,আল্লামা গোলাম মোস্তফা শায়েস্তা খান আল আযহারী,আওয়ামীলীগ নোত এস এম বাবর, শিল্পপতি ক্বাযী মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন,আল্লামা হাছান মুরাদ ক্বাদেরী,আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়বুর রহমান,আল্লামা মুনছুর আলম রেজভী।

এতে উপস্থিত ছিলেন, কলেজ অধ্যক্ষ কৃষিবীদ মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম,সাংবাদিক এম বেলাল উদ্দিন,আল্লামা ইদ্রিচ আনছারী,আলহাজ্ব মওলানা মুহাম্মদ আলী ছিদ্দিকী,মওলানা সামশুল আলম নঈমী,মওলানা মুনছুর নেজামী,যুবলীগ নেতা মুহাম্মদ মুনছুর,আল্লামা নুরুল আবছার রেজভী,আল্লামা নুরুল ইসলাম রেজভী,আল্লামা তসলিম উদ্দিন মাইজভান্ডারী,আলহাজ্ব সোলায়মান চৌধুরী,মুহাম্মদ ফোরকান চৌধুরী,প্রধান শিক্ষক আকতার হোসেন চৌধুরী,শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান,মওলানা আহমদ হোসেন রেজভী,আবুল হাসেম রেজভী,মওলানা বাহা উদ্দিন ওমর,মওলানা সৈয়্যদ লুৎফর রহমান,মওলানা সৈয়্যদ গিয়াস উদ্দিন,মওলানা জাফর নুরী,মেম্বার মুহাম্মদ আলী,মওলানা জিলহাজ্ব উদ্দিন,মওলানা হাছান আলী,অধ্যাপক মঈনুল আমিন,মওলানা সোলায়মান মকবুলী,মওলানা কলিম উল্লাহ নুরী,মওলানা আবছার উদ্দিন,মওলানা আলমগীর,মওলানা বশর ভান্ডারী,মওলানা ইয়াছিন ভান্ডারী,হাফেজ ওমর ফারুক,মওলানা শফি,মওলানা দিদার নুরী,মওলানা সালেহ আকবর,মওলানা রফিক,আওয়ামীলীগ নেতা জালাল আহমেদ,ছাত্রলীগ নেতা তহিদুল আলম,নাজিম উদ্দি মাইজভান্ডারী,মওলানা কপিল উদ্দিন,মুহাম্মদ সাহাবু সওদাগর,মুহাম্মদ মমতাজ,মুহাম্মদ কুতুব উদ্দিন,মুহাম্মদ বোরহান উদ্দিন,শায়ের মিনহাজ্ব,শায়ের ওসমান গণী,মওলানা তাজ মুহাম্মদ রেজভী,মওলানা আবদুল মাবুদ,মওলানা ইকবাল হোসেন। পরে মিলাদ ক্বিয়াম ও আখেরী মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

প্রিন্স, ঢাকা