ভাটারা নুরের চালা এলাকার বিভিন্ন সমস্যার সমাধান চাই

নিউজ ডেস্ক: রাজধানী ঢাকা শহরের প্রানকেন্দ্র গুলশান বারিধারার পূর্বপার্শ্বে ভাটারা ইউনিয়ন পরিষদ ঢাকা সিটি কর্রপোরেশনে যুক্ত হয়েছে । ভাটারা ইউনিয়ন পরিষদের বাসিন্দারা সিটি কর্রপোরেশনের অনেক নাগরিক সুযোগ সুবিধা পেয়েও তারা ছিল পরিচয়ের সংকটে । ঢাকা সিটি কর্রপোরেশনের সাথে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে তা অনেকটা মোছন হয়েছে । তারপরও তাদের দৈনিন্দিন জীবনের নাগরিক সমস্যার শেষ নাই । এলাকার উন্নয়ন, প্রতিবন্ধকতা, মাদক, সন্ত্রাসসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভাটারা ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডের কমিশনার জনাব মো.হারমিন মিয়ার সাথে আমাদের ষ্টাফ রির্পোটার হোসাইন মোহাম্মদ ফাহমি বিশেষ সাক্ষাতকারে মিলিত হন । তার বিশেষ বিশেষ অংশ নিম্নে ঢাকানিউজ ২৪ ডট কমের পাঠকদের জন্য তোলে ধরা হলো ।

প্রশ্ন: ঢাকা সিটি কর্রপোরেশনের সাথে যুক্ত হওয়ায় আপনার প্রতিক্রিয়া কি ?
কমিশনার: ভাটারা ইউনিয়ন পরিষদের সকল বাসিন্দার মত আমিও আনন্দিত । এখন থেকে এলাকাবাসি ঢাকা সিটি কর্রপোরেশনের সকল নাগরিক সুযোগ সুবিধা পাবে । এ অর্ন্তভূক্তির মাধ্যমে আমার ওর্য়াডের ছোট বড় সকল নাগরিক সমস্যা দূর করার সুযোগ সৃষ্টি হলো ।

প্রশ্ন:আপনি কি ভাবে কমিশনার নির্বাচিত হন ?
কমিশনার: বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রত্যক্ষ ভোটে এলাকাবাসী আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে । আমি মোট ১৭০২টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হই ।

প্রশ্ন: আপনি কোন পেশার সাথে যুক্ত ?                                                 কমিশনার:  ঐতিহ্যবাহি বেরাইদ গ্রামের প্রায় ৫০ ভাগ মানুষ মাংস ব্যবসার সাথে জড়িত । আমিও এ পেশার সাথে জড়িত ও এ পেশার জন্য র্গবিত । আমি স্হানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ।

প্রশ্ন: এলাকার উন্নয়নে আপনারা কি করছেন ?
কমিশনার: ঢাকা সিটি করপোরেশনের পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন হওয়ার কারনে এলাকাবাসী অনেক নাগরিক সুবিধা থেকে বন্চিত ছিল । ক্রমর্বধমান এলাকা হিসাবে বর্তমানে পুরনো শরুরাস্তা ঘাট, ড্রেন, পয়:প্রনালী নিস্কাসন, গ্যাস, বিদ্যুত, পানিসহ বিভিন্ন সমস্যা বিদ্যমান । এলাকায় উন্নতমানের কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল নাই । শিক্ষা, স্ব্যাস্হ, নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা সমাধানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে । বর্তমান চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আমরা ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র ও প্রশাশনের সাথে আলোচনা করে তা দূরীকরনের চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছি ।

প্রশ্ন: আপনার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস চাদাবাজির অভিযোগ উঠেছে, এ বিষয়ে কিছু বলুন ।
কমিশনার: আমি এ এলাকার নির্বাচিত প্রতিনিধি । সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য সন্ত্রাস করার প্রয়োজন হয় না । এলাকাবাসী ও স্হানীয় প্রশাসনের সাথে আমার গভীর ভালবাসার সর্ম্পক রয়েছে । চেয়ারম্যান সাহেব, ক্ষমতাসীন দলের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ঠ ব্যাক্তিদের পরার্মশে সন্ত্রাস চাদাবাজদের দমনে আমরা উদ্যোগ গ্রহন করেছি । স্হানীয় প্রশাসনকে প্রশ্ন করলে সঠিক উত্তর পাবেন । বিগত নির্বাচনে যারা পরাজিত হয়েছিল তাদের ছত্রছায়ায় এ কার্যক্রম হচ্ছে । তারাই আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার করছে ।

প্রশ্ন: সন্ত্রাসী সর্ম্পকে আপনার মতামত কি ?
কমিশনার: সন্ত্রাসীরা যে দলের হোক তাদের গ্রেফতার করা হউক । হাতে গোনা কয়েক জন সন্ত্রাসীর কারনে এলাকাবাসী অশান্তিতে থাকবে তা হতে পারে না । স্হানীয় প্রশাসনকে বলব তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্হা গ্রহন করতে ।

প্রশ্ন:আপনি অনেক সম্পদের মালিক হয়েছেন । আপনার মতামত কি ?
কমিশনার: আমি সাধারন পরিবারের সন্তান হিসাবে নিজের পেশার সাথে যুক্ত হই । এলাকার বিভিন্ন নাগরিক সমস্যার বিষয়ে আমি সব সময় প্রতিবাদী ছিলাম । এলাকাবাসীর সুদৃষ্টির কারনে আমি র্নিবাচিত হই । র্নিবাচনের আগে ভাড়া বাড়িতে থাকতাম এখনো ভাড়া বাড়িতেই থাকি । আমি অত্র এলাকার মানুষের শান্তি ও ভালবাসা চাই ।

প্রশ্ন: এলাকায় মাদক কিংবা সন্ত্রসে বিস্তার ঘটছে ।
কমিশনার: সন্ত্রাস মাদক র্নিমুলে প্রশাসনকে সাথে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি । মাদক বিস্তারে একটি গ্রুপ সদা ত্যপর । কিন্তু সচেতন নাগরিকদের ত্যপরতার কারনে তা মোকাবেলা করতে সক্ষক হয়েছি । নিয়মাবর্হিরভূত ভাবে ইজি বাইক পরিচালনা করা হয় । সমিতিতে অর্ন্তভূক্তির নামে মোট অংকের চাদা নেওয়া হয় । পরর্বতিতে দৈনন্দিন হিস।বেও চাদা প্রদান করা হয় ।