ইউএনও’র হস্তক্ষেপ বাল্য বিয়ে ঠেকল মাকসুদার

(পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ইউএনও জি.এম সরফরাজ এর হস্তক্ষেপে অবশেষে বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল মাকসুদা নামে দশম শ্রেণীর এক মাদ্রাসা ছাত্রী। অভিনব কৌশলে চাচার বউভাত অনুষ্ঠানের অন্তাড়ালে মাদ্রাসা ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন চলছিল। হাতে মেহেদী, গায়ে হলুদ সবই শেষ। বরও এসে উপস্থিত।

এমন সময় বিয়ে বাড়িতে হানা দেন থানাপুলিশ ও স্থানীয় এনজিও কর্মীরা। মুহুর্তের মধ্যে পাল্টে গেলো বিয়ের পরিবেশ। অবেশেষে বন্ধ হলো বাল্য বিয়ে।

উপজেলার উপজেলার ঝাটিবুনিয়া গ্রামের কৃষক ইসমাইল হোসেনের মেয়ে মাকসুদা আক্তার (১৬) এর সাথে পার্শ্ববর্তী বরগুনা জেলার তালতলী গ্রামের জয়নাল হোসেনের ছেলে আলামিন (৩২) এর পারিবারিক ভাবে বিয়ে ঠিক হয়। বর পেশায় একজন জেলে।

মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলে বুধবার সকা‌লে স্থানীয় বাসিন্দারা অনলাইনে কেন্দ্রীয় মহিলা অধিদপ্তরে বাল্য বিয়ের অভিযোগ দেয়। অভিযোগটি আমলে নিয়ে কেন্দ্রীয় মহিলা অধিদপ্তর স্হানীয় মহিলা অধিদপ্তরকে অবহিত করেন। অতঃপর বিযয়টি মঠবাড়িয়ার ইউএনও জি.এম সরফরাজ অবহিত হলে তার নির্দেশে থানা পুলিশ,

মহিলা অধিদপ্তরের ক্রেডিট সুপারভাইজার আবু জাফর খান ও স্থানীয় একটি এনজিও’র মাঠ সমন্বয়কারী ঘটনান্থলে ছুটে গিয়ে বন্ধ করে দেন বাল্য বিয়ে। এসময় বর পক্ষ পালিয়ে যায়।

পরে কনের পিতা ইসমাইল, চাচা আবুল কালাম আজাদকে ইউএনও’র কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

ইউএনও জি.এম. সরফরাজ জানান, চাচার বিয়ের আড়ালে ওই শিক্ষার্থীর বাল্য বিয়ের চেষ্টা চলছিল। খবর পেয়ে বিয়ে বন্ধ করে অভিভাবকের কাছ থেকে মুচলেখা রেখে দিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

প্রিন্স, ঢাকা