রংপুর সিটি নির্বাচনের মাধ্যমে নিরপেক্ষতা প্রমাণের সুযোগ: এরশাদ

নিউজ ডেস্ক: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মাধ্যমে নিরপেক্ষতা প্রমাণের সুযোগ পেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রংপুরে নির্বাচন সুষ্ঠু হলে ইসির ওপর জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা সৃষ্টি হবে। আগামী সংসদ নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণের রাস্তা পরিস্কার হবে।

মঙ্গলবার বনানীতে নিজ কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন জাপা চেয়ারম্যান।

সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ আরও বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কীভাবে অনুষ্ঠিত হবে তার আলামত পাওয়া যাবে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে। নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজন করতে পারলে নির্বাচন কমিশনের ওপর দেশবাসী ও রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা সৃষ্টি হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে ইসি সবার আস্থা হারাবে।

আগামী ২২ ডিসেম্বর জাপার দুর্গখ্যাত রংপুর সিটির নির্বাচন হবে। এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে। গত সিটি নির্বাচনে জাপার সমর্থিত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান প্রায় ২৯ হাজার ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগ সমর্থিত শরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টুর কাছে হেরে যান। জাপার বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুর রউফ মানিক ৩৭ হাজার ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছিলেন।

এবারও রংপুরে একক প্রার্থী দিতে সমর্থ হয়েছে জাপা। দলটির মনোনয়ন পেয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন এরশাদের ভাতিজা আসিফ শাহারিয়ার ও আবদুর রউফ মানিক। বহিস্কারের হুমকি দিয়েও ভাতিজার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারেননি এরশাদ।

অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার শেখ ফয়সল শাহরিয়ার জিয়াদের নেতৃত্বে শতাধিক আইনজীবী জাপায় যোগ দেন। এরশাদ বলেন, জাপায় নতুন জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এখন জাপার পতাকাতলে সমবেত হচ্ছেন।

জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য সালমা ইসলাম এমপির সভাপতিত্বে যোগদান অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন দলের মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার। উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়, ফয়সল চিশতী, উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, যুগ্ম মহাসচিব নুরুল ইসলাম ওমর এমপি প্রমুখ।