মাননীয় সরাষ্ট্র মন্ত্রী আমাকে বাচাঁন!

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: আমি বড় অসহায়,অস্বাভাবিক মৃত্যু থেকে বাচঁতে চাই,জিন্দা লাশের মতো অন্তত মৃত একটি লাশ থেকে রেহায় পেতে চাই।

আপনাদের (সাংবাদিক ভাইদের) লিখনির মাধ্যমে দেশের দর্পন হিসেবে নিরহ,নির্যাতিত,নিপিড়িত,ভুক্তভোগিরা শোষনের কালো অধ্যায় থেকে নতুনভাবে জীবন ফিরে পেয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে পাওয়ার নজির অহরহ। তাই মাননীয় সরাষ্ট্র মন্ত্রীর নিকট আমার আবেদন আমাকে বাচাঁন।

উপরের কথাগুলো বলে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাচানোর আকুতি জানিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ৮নং কদলপুর ইউনিয়নের মরহুম মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন চৌধুরীর ব্যবসায়ী পুত্র মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন চৌধুরী। গতকাল শনিবার দুপুরে রাউজান প্রেসক্লাবে রাউজানের কর্মরত জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে লিখিত বক্তব্যে সাংবাদিকদের সামনে বিভিন্ন লোহমর্ষক ঘটনার বর্ণনা দেন।

বক্তব্য সুত্রে জানাগেছে একই এলাকার সন্ত্রাসী সাহাতাব উদ্দিন চোট্রয়া তার বিপথগামী দলবল নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত ভুক্তভোগি জয়নাল আবেদীন চৌধুরীর নিকট তার মায়ের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকার চাদাঁ দাবী, চাদাঁ না দিলে তার ছেলেকে তার নিজ ঘরে আসতে দিবে না বলে হুমকি এমনকি হত্যা করে লাশ গুম করা হবে।

লিখিত বক্তব্যে জয়নাল আবেদীন আরো জানান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হতে শুরু করে সরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়, সরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজি, র‌্যাব মহাপরিচালক, ডিআইজি চট্টগ্রাম রেঞ্জ বরাবরে সরাসরি অভিযোগ দায়ের করলেও কোন ধরনের আইনগত সহযোগীতা না পাওয়ায় তিনি জীবন শংকায় দিন কাটাচ্ছেন। তার দাবী তার এলাকায় গত তিন মাসে জায়গা জমির বিরুদ নিয়ে নিকট জনের হাতে দুই জন খুন হওয়ায় তার ধারনা তাকেও যেকোন মুহুর্তে হত্যা করে ফেলতে পারে। 

তিনি জানান, চলতি মাসের ৭ তারিখ রাতে চট্টগ্রাম শহর থেকে কিছু মানুষের সাক্ষাতে বাড়ীতে গেলে ১০/১২ জন তার প্রাইভেট গাড়ীতে আক্রমনের চেষ্টা করলে তিনি বিচক্ষনতার সহিত সেখান থেকে পালিয়ে রক্ষা পান।

তাকে বিভিন্ন মোবাইল নাম্বার থেকে ফোনে হুমকি দেওয়া হচ্ছে সাংবাদিকদের যাতে কোন তথ্য দেওয়া না হয়। তথ্য দিলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলা হবে। তিনি আরো জানান, আমাদের শত বছরের পুরাতন ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সম্মানহানির জন্য চলতি বছরের ২রা এপ্রিল থেকে সন্ত্রাসী চুট্রয়া সহ তার দলবল বিভিন্নভাবে তার বিদ্য মা’র উপস্তিতিতে বসত ভিটার বড় বড় গাছ ঘরের উঠানে রক্ষিত বিশ হাজার ইটসহ অন্যান্য সামগ্রী লুঠ করে নিয়ে যায়।

প্রায় ষাট শতকের বিশাল বসতভিটাটি বর্তমানে খেলার মাঠে পরিনত হয়েছে। তিনি আরো জানান, আমার অসহায় মায়ের সামনে দিন দুপুরে এক নাগারে একমাস ধরে শত শত বিভিন্ন প্রজাতির বড় গাছ কেটে কেটে ট্রাকে করে নিয়েযায়। ভিতরের টিউবওয়েল,গ্যাস লাইন,বিদ্যুত লাইন বন্ধ করে দিয়ে ভুতুরে ঘরে পরিনত করে। পানির পাম মেশিন দিয়ে পানি সেচ করে পুকুড়ের মাছ লুঠ করেনিয়ে যায়।

শুধু তা নয় সন্ত্রাসীরা আরো বেশি হিং¯্ররা হয়ে আমার বসতভিটার প্রবেশ পথ বন্ধ করে ধীরে ধীরে বসতঘরের চতুর্দিকে ঘিরে ফেলে। ঘরের ভিতরে মা জিম্মি অবস্থায় অমানবিক ভাবে দিন যাপন করছে।

মায়ের অসুস্থতার কারনে ডাক্তাররা চিকিৎসা দিতে গিয়ে বসত ভিটায় ঢুকতে না ফেরে চিকিৎসা না দিয়ে ডাক্তার ফিরে এসেছে। তিনি জানান, আমি এই বিষয়গুলো নিয়ে প্রশাসনিকভাবে অভিযোগ মামলা দায়ের করেও কোন সুরহা পায়ানি। তিনি জানান, স্থানীয় চেয়ারম্যান আন্তরিক হলে সব সমস্যার সমাধান অনেক আগেই হয়ে যেথ। তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে তার জীবন রক্ষার জন্য সরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন

প্রিন্স, ঢাকা