সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের প্রশংসায় ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সমপ্রতি দেশটিতে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের প্রশংসা করে বলেন, তাদের প্রতি আমার আস্থা আছে। তবে দেশটিতে গণগ্রেপ্তারের নেতিবাচক প্রভাব মার্কেটে পড়েছে। এদিকে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত প্রিন্স এবং ব্যবসায়ীদের একটি বিলাসবহুল হোটেলে রাখা হয়েছে। খবর রয়টার্সের

শনিবার সৌদি আরবে ১৭ প্রিন্স, চারজন বর্তমান ও সাবেক অনেক মন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয় দুর্নীতির অভিযোগে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এর মাধ্যমে হয়তো বর্তমান বাদশাহ এবং ভবিষ্যত বাদশাহ তাদের ক্ষমতা আরো বৃদ্ধি করছেন। এই প্রসঙ্গে সোমবার দুটি টুইটার বার্তায় প্রতিক্রিয়া জানান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি বলেন, গণগ্রেপ্তারের বিষয়ে সৌদি আরবের বাদশাহ এবং যুবরাজের প্রতি আমার গভীর আস্থা আছে। আধুনিক ইতিহাসে রাজপ্রাসাদের এই অভিযান প্রশংসনীয়। ট্রাম্প আরেকটি টুইটার বার্তায় জানান, বাদশাহ এবং যুবরাজ জানেন তারা কী করছেন। তিনি গ্রেপ্তারকৃতদের ইঙ্গিত করে বলেন, এদের অনেকে দীর্ঘদিন ধরে দেশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসছিলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বর্তমানে দেশটির নীতি নির্ধারণে মূল ভূমিকা রাখছেন। তিনি বিরোধীদের একপাশে সরিয়ে দিচ্ছেন। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ট্রাম্পের জামাতা জারেদ কুশনারের ঘনিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে। সমপ্রতি তিনি সৌদি আরব থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরেন।

একটি সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের রিয়াদের বিলাসবহুল রিটজ কার্টন হোটেলে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবারও সৌদি শেয়াবাজারে নেতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে। বাণিজ্য শুরুর ৭৫ মিনিটের মধ্যেই ১ দশমিক ৬ ভাগ শেয়ার নীচে নেমে যায়। আর গ্রেপ্তারকৃতদের প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে গত তিন দিন ধরে ধস নেমেছে। ধনকুবের প্রিন্স আওয়ালিদ বিন তালালের প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের পতন অব্যাহত আছে।