লাইসেন্স করতে খুচরা চাল ব্যবসায়ীদের আগ্রহ থাকলেও তুলনামুলক সাড়া নেই পাইকারদের

ক্রাইম রিপোর্টার নীলফামারী: চালের বাজার নিয়ন্ত্রন করতে ও মজুদ বন্ধ করতে আমদানিকারক, আড়তদার, পাইকার ও খুচরা বিক্রেতাকে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে লাইসেন্স করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন খাদ্য অধিদপ্তর।

সেই সময় পেরিয়ে গেলেও নীলফামারীর বেশীর ভাগ আমদানী কারকরা (বড় ব্যবসায়ী) লাইসেন্স গ্রহন করেনি। জেলায় এ যাবত দুইশত ৫৪জন চাল ব্যবসায়ীর লাইসেন্স হলেও বেশীর ভাগ আমদানিকারকরা ধরাছোঁয়া বাইরে রয়েছেন।

এর মধ্যে খুচরা ব্যবসায়ীরা লাইসেন্স করেছেন দুইশত ৬ জন এবং পাইকারী ব্যবসায়ীরা ৪২ জন ও আমদানীকারক ৬ জন লাইসেন্স নিয়েছেন। এদিকে, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বলছেন, লাইসেন্স করার প্রক্রিয়া চলমান আছে।

অধিকাংশ আমদানীকারকরা এখনও লাইসেন্স নেননি। এ ব্যাপারে, তারা এখনও ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নেওয়ার উদ্ধুদ্ধ করছেন। তিনি আরো বলেন, এতো চেষ্টার পরেও ব্যবসায়ীরা লাইসেন্স না নিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গত ২ অক্টোবর খাদ্য মন্ত্রনালয়ের এক বৈঠকে খাদ্য মন্ত্রী কামরুল ইসলাম চালের আমদানীকারক, মজুতদার,আড়তদারসহ সকল ব্যবসায়ীকে নতুন করে লাইসেন্স নেওয়ার নির্দেশ দেন। এ ছাড়াও ১৫ দিন পর পর গুদাম ও স্টোকের চাল, গমের হিসাব স্থানীয় খাদ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করার জন্য বলা হয়। চলতি বছরের ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত লাইসেন্স করার সময় বেঁধে দেওয়া হয়।

নীলফামারী জেলা শহরের কিচেন মার্কেটের চাল ব্যবসায়ী ও অলিমা ট্রেডার্সের মালিক আনোয়ারুল ইসলাম বাবুল বাংলা বলেন, খাদ্য মন্ত্রনালয়ের লাইসেন্স করার নির্দেশ থাকলেও এখন পর্যন্ত বেশির ভাগ আমদানীকারকরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।

সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক তৌহিদুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত ওইসব ব্যবসায়ীদের মধ্যে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে গুটিকয়েক ব্যবসায়ী লাইসেন্স নিয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন আমদানীকারক, ৪২ জন পাইকার ও ২০৬ জন খুচরা বিক্রেতা লাইসেন্স নিয়েছে। তিনি বলেন, এখনও অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী এই লাইসেন্স নেননি।
অন্যদিকে, ধান, চাল, সয়াবিন, পামওয়েল, ডাল ও চিনি এই সাতটি পণ্যের সকল ধরনের ব্যসায়ীকে ফুড লাইসেন্স করতে হবে।

নীলফামারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) এসএম কায়সার আলী বলেন, এ ব্যাপারে আমদানীকারকদের (বড় ব্যবসায়ী) খুব একটা সারা পাওয়া যাচ্ছে না। সে তুলনায় মাঝারী ও ছোট ব্যবসায়ীরা লাইসেন্স নিতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। তবে সময় সীমা পেরিয়ে গেলেও অনেকেই আসছেন লাইসেন্স নিতে। তাদের লাইসেন্স নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। এর পরেও ব্যবসায়ীরা লাইসেন্স না নিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হতে হবে।

প্রিন্স,ঢাকা