ঈশ্বরদীতে ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে

পাবনা সংবাদদাতা: ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সকল সহযোগি অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঈশ্বরদীতে ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে রেলগেটস্থ বিএনপি দলিয় কার্যালয়ে জাতিয় ও দলিয় পতাকা উত্তোলন দুপুরে আলোচনা সভা ও বিকেলে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রিয় বিএনপির অন্যতম সদস্য ও সাবেক সফল পৌর মেয়র মকলেছুর রহমান বাবলু।

ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সভাপতি আকবর আলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন বিশ্বাস, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আক্তারুজ্জামান, এসএম ফজলুর রহমান, আতাউর রহমান পাতা, ফিরোজ আহমেদ, দুলাল মন্ডল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আজিজুর রহমান শাহিন, পৌর যুবদলের সভাপতি মোস্তফা নূরে আলম শ্যামল, সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেন জুয়েল, মামুনুর রশিদ নান্টু, আবু বক্কার, আকতার হোসেন নিফা, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল আওয়াল ও ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ ছাত্রদল সভাপতি রফিকুল ইসলাম নয়ন। অনষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিএনপি নেতা ইসলাম হোসেন জুয়েল।

বক্তারা বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মেজর জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে এদেশ স্বাধীন হতোনা। মেজর জিয়া কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধিনার ঘোষণা প্রদান করেন। ৭ নং সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যুদ্ধ চালিয়ে গেছেন। আজকের এই দিনে সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে বাংলার রাখাল রাজা কৃষক-শ্রমিক ও গণমানুষের বন্ধু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে।

বক্তারা আরও বলেন, স্বাধিনতার পর ঈশ্বরদীতে আওয়ামীলীগের ওরা ২০ জন নামে একটি গ্রুপ এলাকার যুবতি মেয়েদের ইজ্জত হরণ করেছে। জোর পূর্বক সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়েদের বিয়ে করেছে। ওদের ভয়ে বাজার-ঘাটে যাওয়া আসা মুশকিল হয়ে পড়েছিল। সে সময় সরকার দেশের সকল সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়ে মাত্র চারটি পত্রিকা চালু রেখেছিলেন আবার সেই পত্রিকা সরকারের নির্দেশ মোতাবেক পরিচালিত হতো। এদেশ যখন তলা বিহিন ঝুঁড়িতে পরিনত ছিল ঠিক সেই মুহুর্তে দেশের প্রয়োজনে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশ প্রধানের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। বর্তমানে দেশে গণতন্ত্র নেই বাকশালী কায়দাকেও হার মানিয়েছে। সন্ত্রাস আর গুম, খুনে দেশ ছেয়ে গেছে।