দুর্জয়

এম এস প্রিন্স
কত রণ ওই আসে যায় বসুতে জীবদ্ধশায়
করুনে বাবু তরাস
ছায়ানটে নূতন সুর তুলো সাবাস সাবাস
ও যে তোমার দুর্জয় ভানুর দুর্জয়
সৃষ্টিতে মহাকাশ।

চিত্ত বিকশিত করে পন্থ চলো
শত সহস্র নোঙরও ভেবো পথেয় ধূলো।
নিশি কুটুম্ব কাপুরুষ (তোমার প্রতিপক্ষ ভানুর প্রতিপক্ষ
জননীর প্রতিপক্ষ) করিতে চাহে যদি বিদীর্ণ
হও ফনাধর পালন করো পূণ্য।
জননী বঙ্গবন্ধুর জননী ভানুর বাবু গো তোমার জননী
তবে নিশি কুটুম্ব কাপুরুষ ওখানে র’বে কেমনি?
৪৭-৭১ যে কুলাঙ্গার করেছিল শাসন
ধন লুণ্ঠনে করেছিল সুমধুরে সিংহাসন
জননী রমণীর লোহিত ছিল ভোগ্যখাদ
নিশি কুটুম্ব কাপুরুষ ওই কুলাঙ্গারের চাঁদ।
৭১-ও ঝড়ে ওদের হস্তে মিলে হস্ত
ছিলো ব্যস্ত না হতে মুক্ত।
অক্ষুণ্ন রাখিতে আপন সত্ত্ব
কত পন্থ হলো লোহিত রঞ্জিত
তবু ৭-ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর বাক্-এ
সক্ষম ১৬-ই ড়িসেম্বর
করে স্বাধীন সূর্যোদয়
ঘটিয়ে শেয়াল শকুন কুলাঙ্গারের প্রলয়।

হব ধনবান হৃদে অভিলাষ
সিংহাসনে বসে ছাড়িব সবুজ নিঃশ্বাস।
অন্যত্র খণ্ডে হল কি
কাল হলে দেখিব নইলে একাই স্বর্গে থাকিব
৭৫-এ বঙ্গবন্ধু নিহত এ কারণ বিশ্বাস।
যে শকুন জানোয়ার করিছে নিহত
ওখানেও রয়েছে ওদের হস্ত।
স্বাধীন জননী তবু তমস্যাচ্ছন্ন
যত দিবস নিশি-কুটুম্ব কাপুরুষ না হল শূন্য।
ওরা দুশমন ওরা মীর জাফর
৭১-এ হার মানিলেও ৭৫-এ তুলিছে নূতন ঝড়।
কুলাঙ্গারের লোহিতে গড়া ওদের গা অন্তর।
অবিশ্বাস্য ওরা
ক্ষণ বুঝি জননী করে পরপন্থী
বাবু গো শক্তি করো দিব্য শক্তি
ফুঁ মেরে নিবুতে ওদের বাতি।
তবে যদি একা
নাহি পারো সখা
ভানু বলে দিও হাঁক।
আকাশ ছেদিয়া কালবৈশাখ হইয়া
ঈশ্বর-ও কসম ললাটে বসায়ে কুঠাল
আর না রাখিব নিশিকুটুম্বের হালচাল।
তবু-ওগো বাবু জননীর ক্ষিতিতে হোক ওদের বিচার।