আইন শঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সফল অভিযান

নিউজ ডেস্ক : আইন শঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একের পর এক জঙ্গিবিরোধী অভিযান সফল হচ্ছে। গ্রেপ্তার হচ্ছে একাধিক জঙ্গি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মী। জঙ্গি বিরোধী অভিযানের সফলতার কারণে জঙ্গিদের হামলার লক্ষ্যবস্তু সীমিত হয়ে যাচ্ছে। এখন জঙ্গিদের লক্ষ্য একটাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণেই দেশে জঙ্গিবিরোধী অভিযান বেগবান হয়েছে। জঙ্গিদের উপলব্ধি একমাত্র শেখ হাসিনাকে হত্যা করলেই তারা দেশে অরাজকতার রাজত্ব কায়েম করতে পারবে। দেশের মধ্যে জঙ্গি কার্যক্রম বিপুল হারে বাড়াতে পারবে তারা। গোয়েন্দা সূত্রে এমনটাই জানা গেছে।
 
সূত্রগুলো জানিয়েছে, শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্যই জঙ্গিরা একের পর এক হামলার পরিকল্পনা করছে। যার সর্বশেষটি ছিল বিমান নিয়ে গণভবনের ওপর আঘাত। এই পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিল বাংলাদেশ বিমানের পাইলট সাব্বির এনাম।
 
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, নব্য জেএমবির সদস্যরা বিমান নিয়ে গণভবনে আঘাতের পরিকল্পনায় ছক কষেছিল। হামলার জন্য কয়েক দফা রেকিও করা হয়। নব্য জেএমবির শীর্ষ জঙ্গি নিহত সারোয়ার জাহান ওরফে ফরহাদ ও আবদুল্লাহ এবং পাইলট সাব্বির এনামসহ শীর্ষ জঙ্গিরা হামলা নিয়ে আলোচনা করতে প্রায়ই একসঙ্গে বৈঠক করতো। নব্য জেএমপির জঙ্গি ও নিহত আব্দুল্লাহর সহযোগী মো. বিল্লাহ হোসেন এক জবানবন্দিতে এমন তথ্য জানিয়েছে।
 
গত ৩০ অক্টোবর জবানবন্দিতে বিল্লাল জানান, আবদুল্লাহ যে ফ্ল্যাটে থাকতেন, সেই ফ্ল্যাটে বাড়ির মালিক আজাদ ও তার স্ত্রী আসতেন। আবদুল্লাহও মাঝে মাঝে বাড়ির মালিকের বাসায় যাতায়াত করতেন। আজাদের স্ত্রী একবার কামালের মাধ্যমে সংগঠনের জন্য ৩০ হাজার টাকা আবদুল্লাহকে দিয়েছিলেন। আজাদের মেয়ে স্নিগ্ধাও মাঝেমধ্যে আবদুল্লাহর সঙ্গে দেখা করতে আসতেন। আজাদের একমাত্র ছেলে সাব্বির এনাম।
 
বিল্লাল আরও জানান, আবদুল্লাহ ভাই, সারোয়ার জাহান ওরফে ফরহাদ এবং সাব্বিরসহ আরও অনেকে পরিকল্পনা করেন, বিমান নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে হামলা চালাবেন। নইলে যাত্রীসহ বিমান সিরিয়াতে নিয়ে যাবেন।